মানিলন্ডারিং ও অর্থপাচার বন্ধে জাতীয় কৌশলপত্র

 
 
 
 
মানিলন্ডারিং ও অর্থপাচার প্রতিরোধে জাতীয় কৌশলপত্র অনুমোদন করেছে এ সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে—জাতিসংঘের কনভেনশন অনুযায়ী মধ্যমেয়াদে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রম শক্তিশালী করতে এ ধরনের কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে।
কৌশলপত্রে দুর্নীতি প্রতিরোধ, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন বন্ধ ও চোরাচালান দমনকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। কৌশলপত্রে ১১টি নীতি চূড়ান্ত করা হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে—মানিলন্ডারিং এবং সন্ত্রাসী অর্থায়ন আইনের আধুনিকায়ন, দুর্নীতি প্রতিরোধে মানিলন্ডারিং আইনের ব্যবহার বাড়ানো; সীমান্ত চোরাচালান, স্বর্ণ ও মাদকের চোরাচালান ও মানবপাচার বন্ধে জোরালো পদক্ষেপ নেয়া; অবৈধ অর্থ, কালো টাকা ও কার্ব মার্কেটিংয়ের ওপর নজরদারি বাড়ানো, অবৈধভাবে অর্থ লেনদেন নিরুত্সাহিত করা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বাড়ানো, রিপোর্টিং এজেন্সিসহ এনজিওগুলোর কার্যক্রমে নজরদারি বাড়ানো এবং আর্থিক বিভিন্ন অনিয়ম প্রতিরোধে সক্ষমতা বাড়ানো। একই সঙ্গে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে তদন্ত করার ক্ষমতা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাশাপাশি পুলিশকে দেয়ারও প্রস্তাব রয়েছে। বর্তমানে এ ক্ষমতা এককভাবে দুদকের হাতে রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান— কৌশলপত্রের প্রস্তাবনা আইনে রূপান্তর হলে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে পুলিশও তদন্তকাজ পরিচালনা করতে পারবে।
বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে কৌশলপত্র প্রণয়নবিষয়ক জাতীয় সমন্বয় কমিটির এক সভায় এ সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সভাপতিত্ব করেন।