ফতুল্লার আলীগঞ্জ খেয়াঘাট সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ আরো ৫ জনের লাশ গতকাল শনিবার উদ্ধার করা হয়েছে। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৬ জনে। মৃত ৫ জন হলেন: রাজধানীর লালবাগ শহীদনগর এলাকার মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে আব্দুস সামাদ (৩৫), একই এলাকার আজিজুলের ছেলে মাদ্রাসা ছাত্র হাবিব (১২), মানিক মিয়ার ছেলে কাজল (২৮), খলিল মিয়ার ছেলে ঝন্টু (২২) ও মৃত আলী হোসেনের ছেলে জালাল (৫৫)। নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মমতাজউদ্দিন লাশ ৫টি উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করেছেন।
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, মেঘনায় ট্রলার ডুবির ঘটনায় বেপরোয়াভাবে নৌযান চালিয়ে অবহেলার কারণে জানমালের ক্ষতির অভিযোগ এনে শুক্রবার রাতে গজারিয়া থানায় পুলিশ মামলা করেছে। এসআই দিদারুল আলম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে দুর্ঘটনাকবলিত দুটি নৌযানের দুই চালককে। এছাড়া নৌযান দু’টির মালিক ও অন্য স্টাফদেরকেও দায়ী করা হয়েছে মামলায়। তবে সকল আসামিকেই অজ্ঞাত হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই তথ্য দিয়ে গজারিয়া থানার ওসি ফেরদৌস হোসেন জানান, যান দু’টি জব্দ করে মেঘনা তীরে রাখা হয়েছে। দু’টির মালিকদের সনাক্তসহ অপরাধীদের গ্রেফতারেরও চেষ্টা চলছে। বুধবার রাতে গজারিয়া উপজেলার ভাষানচরের কাছে বাল্কহেডের সাথে সংঘর্ষে ডুবে যায় ৭৫ জন যাত্রীবোঝাই একটি ট্রলার।