ছাত্রী নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাবিতে মানববন্ধন

 
 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্রী মাহমুদা আক্তার মুনমুনের ওপর তার স্বামীর অমানবিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সহপাঠীরা। এসময় তারা পাষাণ্ড স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। 
 
সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপাজেয় বাংলার পাদদেশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন মুনমুনের বাবা মাহফুজুর রহমান, ঢাবির কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আক্তারুজ্জামান, বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহফুজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. নাজমা বেগম প্রমুখ।
 
এসময় মুনমুনের বাবা বলেন, বিয়ের পরপরই মুনমুনের উপর শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত তার স্বামী মোফাজ্জল হোসেন রাহাত। তারপরও স্বামীর অত্যাচার মুখবুজে সহ্য করেছেন মুনমুন। বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবিতেও নির্যাতন করত তার স্বামী ও স্বামীর পরিবার। সর্বশেষ গত ৩১ মার্চ ক্যাম্পাস থেকে তাকে নিয়ে গিয়ে বাসায় প্রচন্ড নির্যাতন চালায় স্বামী রাহাত। এতে মারাত্মকভাবে আহত হয় মুনমুন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে বলে তার বাবা জানান। এ অমানবিক নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়ে মুনমুনের বাবা প্রশাসনের কাছে রাহাতের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান।
 
ড. আক্তারুজ্জামান বলেন, মুনমুনের উপর নির্মম নির্যাতন মানুষ হিসেবে আমাদেরে লজ্জিত করে। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের একজন ছাত্রীর উপর এমন আচরণে আমরা চুপ করে বসে থাকতে পারি না। এসময় তিনি আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে যাতে ওই নির্যাতনকারী বের হতে না পারে সেদিকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর দৃষ্টি আর্কষণ করেন। 
 
মাহফুজুল ইসলাম বলেন, মুনমুন অনেক সময় আমাদের কাছে এসে স্বামীর নির্যাতনের কথা বলতো। আমরা বর্বরোচিত নির্যাতনের জন্য ধিক্কার জানাই।