আচরণ বিধি লংঘনকারী কাউকে ছাড় দেবে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যারা আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থার নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। তিন রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ। তিনি বলেন, আচরণবিধি মেনে চলতে সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে। কেউ আচরণবিধি লংঘন করলে ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশও দেয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বিশেষকে ছাড় দেয়া দেয়া হবে না।
এদিকে, আগাম আচরণ বিধি লংঘনকারী সনাক্ত করতে ইতিমধ্যে তিন সিটি করপোরেশনের মাঠে রয়েছেন ৬টি ভ্রাম্যমান আদালত। প্রতি সিটিতে দুইজন করে ৬জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনী মাঠে আচরণবিধি লংঘনের বিষয়টি তদারকি করছেন। এছাড়া ১০ এপ্রিল প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর তিন সিটি ৬জন করে মোট ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনের আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পাল করবেন। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে ও পরে মোট ৪ দিন ৩৩জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন বলে ইসির সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। আইন শাখার কর্মকর্তারা ইত্তেফাককে বলেন, এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটিতে ৯ জন, দক্ষিণ সিটিতে ১৪ জন এবং চট্টগ্রাম সিটিতে ১০ জন। নির্বাচনের দুই দিন আগে, নির্বাচনের দিন এবং পরেরদিন ৩৩জন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন।
তিন রিটার্নিং কর্মকতা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আচরণবিধি লংঘন করার অভিযোগে ইতিমধ্যে দেড় শতাধিক প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক প্রার্থীকে শোকজ করা হয়। উত্তরে প্রায় ৩৫জন প্রার্থীকে শোকজ নোটিশ দেয়া হয়েছে। এক মেয়র প্রার্থীসহ ৭জনকে জরিমনাও করা হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীকে আচরণ বিধি লংঘনের অভিযোগে শোকজ করা হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ ৩জনের বিরুদ্ধে আচরণ বিধি লংঘনের অভিযোগ এসেছে কমিশনে।