বাংলাদেশ-ভারতের বাণিজ্য চুক্তির খসড়া অনুমোদন

 
 
ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পাশাপাশি তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে বাণিজ্য করার জন্য একে অপরের নৌ, সড়ক ও রেল পথ ব্যবহার করতে পারবে। এই সুবিধা রেখে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সংশোধিত বাণিজ্য চুক্তির খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
 
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন ভূইঞা প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, আগে কেবল বাণিজ্যের জন্য বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য নৌ, সড়ক ও রেল পথ ব্যবহার করতে পারত।
 
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ, ভুটান বা নেপালে বাণিজ্যে করার জন্য ভারতের নৌ, সড়ক ও রেল পথ ব্যবহার করতে পারবে। এ সিদ্ধান্ত উভয় দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। তবে এ ব্যাপারে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যে ফি (চার্জ) ধার্য করা হবে, তা উভয়কে দিতে হবে। তিনি বলেন, এই খসড়ার নতুন আরেকটি বিষয় হলো, আগে চুক্তির মেয়াদ ছিল তিন বছর, এখন মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।
 
সচিব বলেন,  এ চুক্তি স্বাভাবিকভাবে নবায়ন হবে। তবে কোনো পক্ষ আপত্তি করলে তা হবে না। মন্ত্রিপরিষদ নতুন চুক্তির ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। প্রথম ১৯৭২ সালের এ চুক্তি হয়েছিল। এরপর ২০০৯ সালে নতুনভাবে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
 
এদিকে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘পোর্ট (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন-২০১৫’র খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া গত ৫-৬ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার উচ্চ পর্যায়ের সভায় বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণ সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়। জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপিত হলেও কিছু অনুশাসন দিয়ে তা ফেরত পাঠানো হয়েছে।