নেত্রকোনার মেদনী ইউনিয়নের বড়াইল কংস নদের ঘাটে নির্মাণসামগ্রী পাথর আর বালুর ব্যবসা জমজমাট। এখানে পাথর ও বালু শ্রমিকরা কাজ করে তাদের দৈনন্দিন আয়-রোজগার করে থাকে। বালু ও পাথরের টাল থাকে এখানে সবসময়। শীত আর বর্ষা নেই, এখানে সবসময় এই সমস্ত নির্মাণসামগ্রী পাওয়া যায়। নেত্রকোনা শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই বালু আর পাথরের বাজারটিতে দুর্গাপুর এবং কলমাকান্দা উপজেলা থেকে পাথর এনে জমা রাখা হয়। ট্রলার ও নৌকাযোগে এগুলো আনা হয়। যে কোন প্রতিষ্ঠান মোবাইল করলেই নির্ধারিত মূল্যে সেখানে বালু ও পাথর পৌঁছে দেয়া হয় বলে জানা গেছে। ট্রলি দিয়ে মালামাল পৌঁছে দেয়া হয়।
বালু পাথর ব্যবসায়ী দৌলতখান জানান, এই মোকামে প্রতিদিন গড়ে ৭/৮ শত শ্রমিত কাজ করে। ২ শত টাকা থেকে ৪ শত টাকা পর্যন্ত প্রতিদিন শ্রমিকরা মজুরি পেয়ে থাকে। তবে বর্ষাকালে শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে যায়। তখন প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক কাজ পায়। এছাড়া পরিবহন শ্রমিক রয়েছে প্রচুর। শ্রমিকদের অভিযোগ, বড়াইল থেকে নেত্রকোনা শহর পর্যন্ত সড়কটি খুবই খারাপ। যানবাহন চলাচলে সমস্যা আছে। এছাড়া ট্রাক চলাচলেও সমস্যা হচ্ছে। এদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অভিযোগ হচ্ছে, ৮ টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন সড়কে ২০ টন মালামাল নিয়ে ট্রাক চলায় সড়কটি সংস্কারের কিছু দিনের মধ্যেই ভেঙ্গে যায়। প্রতি বছর সড়ক সংস্কার এ কারণে সম্ভব হয় না বলে তারা জানায়।
মেদনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খান জানান, তার ইউনিয়নে এই বালু পাথরের জমজমাট বাজার থাকলেও এর থেকে পরিষদের কোন আয় নেই।