ঠাকুরগাঁওয়ে গম গবেষণা উপকেন্দ্র থেকে সুফল পাচ্ছে না কৃষক!

ঠাকুরগাঁওয়ে গম গবেষণা উপকেন্দ্র থাকলেও এলাকার চাষিরা এ থেকে তেমন কোনো সুফল পাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ প্রতি বছরই জেলায় গম উত্পাদনের অঞ্চল ও পরিমাণ বাড়ছে।
 
জানা যায়, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আওতায় ১৯৯৯ সালে শহরের প্রাণকেন্দ্রে ১১ একর জমির ওপর গম গবেষণা উপকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়। প্রতিষ্ঠানে তিন একর জমির ওপর কেন্দ্রের অফিস ও কোয়ার্টার।
 
কেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে মাত্র একজন সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রয়েছেন। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকার পরও এ উপকেন্দ্রে কোনো গবেষণা হয় না।
 
কেন্দ্রে অবশিষ্ট জমির মধ্যে আট একরে গম ও ধানের আবাদ হয়, যা দিনাজপুরের নশিপুর গম গবেষণা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এর বাইরে অন্য কোনো তত্পরতা এ উপকেন্দ্রের নেই বলে চাষিরা অভিযোগ করেন। সদর উপজেলার বেশ কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, আমরা এ গবেষণা উপকেন্দ্র থেকে কখনো কোনো পরামর্শ বা প্রশিক্ষণ পাইনি। এটি কেবল নামেমাত্রই রয়েছে।
 
এ বিষয়ে দিনাজপুরের নশিপুর গম গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আশরাফুল আলম জানান, ঠাকুরগাঁওয়ে গম গবেষণা উপকেন্দ্র থেকে প্রতি মৌসুমে নতুন জাতের গম ও ধান উত্পাদন করে নশিপুর গম গবেষণা কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। পরে বীজ হিসেবে তা বিএডিসিতে হস্তান্তর করা হয়।