অস্ট্রেলিয়াতে বসেই এক সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেট এই পর্যন্ত এসেছে দেশের মানুষের নিঃশর্ত ভালোবাসা ও সমর্থনের কারণে। আজও সেই ভক্ত-সমর্থকরা যখন বিশ্বকাপে পারফরম্যান্সের জন্য সম্বর্ধনা দিলেন, সেখানেও বারবার করে এই কথাই বললেন মাশরাফি।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও ১৪টি বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগে জাতীয় দলের জন্য আয়োজন করা হয় এক সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান। সেখানে নানান আয়োজনে বরণ করে নেয়া হয় ক্রিকেটারদের। দেশের নানা স্তরের প্রতিনিধিরা ফুলের সম্বর্ধনা জানান তাদের। জবাবে মাশরাফি আপ্লুত গলায় একের পর এক ধন্যবাদ দেন সবাইকে।
IMG0
প্রথমেই নিজের ইনজুরির ইতিহাস স্বত্ত্বেও বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দিতে পারার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ দেন। জাতীয় দলকে অস্ট্রেলিয়াতে বাড়তি অনুশীলনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্যও ধন্যবাদ দিলেন মাশরাফি, ‘শুরুতেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতে হয় এই জন্য, আমি দীর্ঘদিন ইনুজরিতে থাকার পরও তারা বিশ্বকাপে আমাকে দলে রেখেছেন। এমনকি আমাদের জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্ব দিয়েছেন। সে জন্য আমি বিসিবির কাছে কৃতজ্ঞ।’
বিশ্বকাপ চলা অবস্থায় মাশরাফিদের বড় প্রেরণা ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের জয়ে-পরাজয়ে ক্রীড়াপ্রেমী শেখ হাসিনা ছিলেন দলের পাশে। মাশরাফি বলেন, ‘ধন্যবাদ দিতে হয় বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে। বিশ্বকাপ চলা অবস্থায় তিনি আমদের সবার সাথে ফোনে কথা বলেছেন। ম্যাচে হেরে গেলেও তিনি আমাদের উত্সাহ দিয়েছেন।’ তিনি বলেছেন, ‘তোমরা সাহসিকতার সাথে খেলো। উনি আমাদের ক্রিকেটের বড় ফ্যান।’
তবে মাশরাফির কাছ থেকে বড় ধন্যবাদটা পেলেন তার সতীর্থরা ও দেশের কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্ত, ‘বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেমেন্টসহ জাতীয় দলের সব খেলোয়াড়কে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা দলকে জেতাতে সর্বাত্মক দিয়েছেন। ধন্যবাদ বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে যারা আমাদের ভালো মন্দের সাথে ছিলেন। আমাদের দুর্দিনেও তারা আমাদের সাপোর্ট করেছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও তারা আমাদেরকে সেটা করে যাবেন।’