এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ: সাকিব

 
‘উইজডেন ইন্ডিয়া’র সঙ্গে দীর্ঘ কথোপকথনে বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে খুবই আশাবাদী মন্তব্য করেছেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার বিশ্বাস করেন, দেশের ক্রিকেট সত্যিই এগিয়ে যেতে শুরু করেছে। ঘুরতে থাকা ক্রিকেটের চাকা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে দীর্ঘ সাক্ষাতকারের নির্বাচিত অংশ—
 
বিশ্বকাপে প্রাপ্তি
আমরা বেশীরভাগই বিশ্বকাপের আগে কখনো অস্ট্রেলিয়া যাইনি। ফলে সবাই রোমাঞ্চিত ছিলাম। ওখানে ভালো করেছি। ফলে দেশে এবং দেশের বাইরে অনেক কিছু বদলে গেছে। একটা বড় ব্যাপার হয়েছে, আমাদের এখন আত্মবিশ্বাসটা চমত্কার। আমরা এখন আরো সফর করলে, সেটা আরও কাজে দেবে।
 
ভারতের বিপক্ষে সেই কোয়ার্টার ফাইনাল
ক্রিকেট আসলে অনেক ‘যদি’ ও ‘কিন্তু’র খেলা। এটা হলে, ওটা হতো; ওটা হলে এটা হতো। অনেক কিছু নিয়েই বলা সম্ভব। তবে একটা ব্যাপার সত্যি যে, তিন শ রানের ওপরে লক্ষ্য তাড়া করতে গেলে আরো ভালো ব্যাটিং করতে হতো আমাদের।
 
বাংলাদেশ নিয়ে আর্ন্তজাতিক মহলের অজ্ঞতা
বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড এবার বিশ্বকাপে সবার ফোকাসে ছিলো। সবাই দেখতে চাইছিল, এরা কী করে। তাই আমাদের পারফরম্যান্স এতোটা নজরে পড়েছে। নইলে গত দুই তিন বছরে, আমাদের ক্রিকেটাররা আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করেছে। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম এই বিষয়ে যথেষ্ঠ গুরুত্বও দিয়ে থাকে। কিন্তু বাইরের সংবাদ মাধ্যম আসলে জানেই না, আমরা কী করছি।
 
দেশের ক্রিকেট কাঠামো
কিছু প্রক্রিয়া চলছে। আমাদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট অনেক দিন ধরেই চলছে। বলা যায়, চাকাটা ঘুরছে এখন। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের শক্ত কাঠামো তৈরী হচ্ছে। আমরা এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশী ক্রিকেটার পাচ্ছি। জাতীয় দলের জন্য খেলোয়াড় বেছে নেয়ার জন্য এখন অনেক বেশী অপশন পাওয়া যাচ্ছে। জাতীয় দলে আসার পর এই তরুণরা এতো ভালো পারফরম করছে যে, তাদের জায়গা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যাচ্ছে না— সৌম্য সরকার বা তাসকিনের কথা ভাবতে পারেন। আমাদের ক্রিকেটের জন্য এটা অনেক বড় একটা প্রাপ্তি যে তরুণরা এসেই পারফরম করতে শুরু করেছে।
 
বাংলাদেশের ক্রিকেট ভবিষ্যত
আমরা বিশ্বকাপে যা করেছি, তরুণরা যদি সেই ধারাটা ধরে রাখতে পারে, আমাদের নিশ্চিভাবেই এই মানের ফলাফল ধরে রাখা উচিত। আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে এখন যে খেলোয়াড়রা উঠে আসছে, তারা যে কোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশঅরী। রনি তালুকদারকে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডের জন্য নেয়া হয়েছে। খুবই ভালো ব্যাটসম্যান সে। আরেকজন অপেক্ষা করছে—লিটন দাস। সবচেয়ে বড় কথা হলো, এখন দলের প্রতিটি পজিশন নিয়ে এক ধরনের স্বাস্থকর প্রতিযোগিতা হচ্ছে।