মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কামারুজ্জামানের লাশ শেরপুরে দাফনের ব্যাপারে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই বাজিতখিলা ইউনিয়নের কুমরি ও তার আশপাশের এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক র্যাব, পুলিশ, দুই প্লাটুন বিজিবিসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
তার লাশ দাফনের জন্য শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলার কুমরি -বাজিতখিলা এতিমখানার পাশে স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে ইতিপূর্বে কামারুজ্জামানের লাশ শেরপুরে দাফন করতে না দেয়ার যে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সন্ধ্যা ৬ টায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে আলোচনা শেষে তারা এ দাবি থেকে সরে এসেছে।
এ প্রসঙ্গে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরল ইসলাম হিরু জানান, সরকার যেহেতু কঠিন অবস্থান নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করছে, সেহেতু রায় বা ফাঁসি কার্যকরের পরবর্তীতে ভিন্নরূপ অবস্থা সৃষ্টি না হোক— সে বিষয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। এই অবস্থায় সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংস্থার অনুরোধে আমরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছি।
তিনি আরো বলেন, আলটিমেটাম প্রত্যাহারের পাশাপাশি কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরে জেলা সদরসহ অন্যান্য উপজেলায় আনন্দ মিছিল করারও ঘোষণা দেন।
ওইসময় পুলিশ সুপার মো. মেহেদুল করিমসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা জাসদের সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটন, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম সভাপতি আমজাদ হোসেন ফাঁসির রায় কার্যকর করার প্রতিক্রিয়ায় জানান, কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় শেরপুর এতদিনে কলঙ্কমুক্ত হল।