বাংলাদেশে গোয়েন্দা কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে নিউজিল্যান্ড। প্রাপ্ত তথ্য তারা বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠাচ্ছে। স্থানীয় নিরাপত্তা এজেন্সিগুলোর উপরও গুপ্তচর বৃত্তি করছে তারা। সমপ্রতি প্রকাশিত কিছু গোপন নথি থেকে বিষয়টি জানা গেছে বলে জানিয়েছে নিউজিল্যান্ডের অন্যতম প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড।
পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউজিল্যান্ডের সরকারি তথ্য নিরাপত্তা ব্যুরো (জিসিএসবি) ২০০৪ সাল থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি গোয়েন্দাগিরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ) সাবেক কর্মী এডওয়ার্ড স্নোডেনের ফাঁস করা ২০১৩ সালের এপ্রিলের একটি গোপন নথিতে এ তথ্য এসেছে।
এতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) ও ভারতকে তথ্য সহায়তা দিয়ে আসছে নিউজিল্যান্ড। এতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী তত্পরতায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অন্যতম উত্স হিসেবে কাজ করত জিসিএসবি।
২০০৯ সালের আরেকটি নথিতে দেখা যায়, স্থানীয় মোবাইল সংযোগ অভিগ্রহণের (ইন্টারসেপ্ট) জন্য ঢাকায় একটি বিশেষ কালেকশন সাইট ব্যবহার করতো জিসিএসবি। নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে তথ্য সরবরাহ করতো জিসিএসবি। এর মধ্যে র?্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নও (র?্যাব) রয়েছে। এ বিষয়ে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর এক মুখপাত্র পত্রিকাটিতে বলেন, স্নোডেনের ডকুমেন্ট পুরোনো, মিথ্যাও হতে পারে।