আদর্শ ঢাকা আন্দোলন’র আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে গুলির ঘটনা তাকে নিহত করার চেষ্টা হিসেবে দেখা যায়। এটা দুর্ভাগ্যজনক। খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার পরে তারই নিরাপত্তা রক্ষীদের নামে মামলা করা হয়েছে। এটি সত্যিই অবিশ্বাস্য ও হাস্যকর।
মঙ্গলবার দিকে রাজধানীর পুরানা পল্টনে আদর্শ ঢাকা আন্দোলন’র কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এমাজউদ্দীন।
সোমবার কাওরানবাজারে খালেদা জিয়ার উপর হামলার বিষয় নির্বাচন কমিশনকে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খুব শিগগিরই তারা এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানাবেন।
এমাজউদ্দীন বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে আমরা শুরুতে বেশ আশাবাদী ছিলাম। কারণ বেশ কিছুদিন দেশের যে পরিস্থিতি ছিল, তা থেকে বের হয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন শুরু হলে আগামীতেও এটা চলতে থাকতো। কিন্তু গতকালকে যে ঘটনা ঘটলো তা দুঃখজনক।
তিনি বলেন, হামলার ঘটনায় দুঃখিত না হয়ে উল্টো মামলা হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চাইতে গিয়ে মামলা হওয়ার ঘটনা অবিশ্বাস্য, মোস্ট আনফরচুনেটলি।
উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী আনিসুল হকের সঙ্গে প্রচারণায় ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ আল আমিনকে দেখা গেছে দাবি করে এমাজউদ্দীন আহমেদ জানান, এতে অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত্র আছেন তিনি এবং নগরবাসী।
তিনি বলেন, ভোটারদের নির্বিঘে্ন ভোট প্রয়োগ এবং প্রার্থীদের নির্দ্বিধায় ভোট চাওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে ইসির কাছে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু তারা এখনো সেই পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি। তারা প্রার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের নেতা ড. মাহবুব উল্লাহ, কবি আবদুল হাই শিকদার, এম আবদুল্লাহ, জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা করে প্রধানমন্ত্রী নকল করতে গিয়ে ধরা খেয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মঙ্গলবার ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন চায় না। খালেদা জিয়ার তার সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে জনগণের কাছে ভোট প্রার্থনা করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু সরকার তার মুখ বন্ধ করে দিতে চায়। সরকার চায় না সুষ্ঠু ভোট হোক।’