মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ৯ জুন গভীর রাতে তাজকে (২৫) তার আপন খালাত ভাই রিন্টু মীরসহ অন্যান্য সহযোগীরা বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে মারপিট করে হত্যা করে। এ সময়ে তারা তাজের কাছে থাকা একটি অত্যাধুনিক মোবাইল ফোন ও নগদ ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পরে হত্যাকারীরা তাজের লাশ একটি পুকুর পাড়ে পুতে গুম করে। এই ঘটনার ১০ দিন পর তাজের সন্ধান না পেয়ে তার মা মুসলিমা বেগম বাগেরহাট মডেল থানায় আপন ভাগ্নে ও বোনসহ চারজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাজের খালাতো ভাই রিন্টু মীরকে আটক করলে সে আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। রিন্টুর দেখানো মতে খানজাহান আলী মাজারের কাছে পাটরপাড়া গ্রামের একটি পুকুর পাড় থেকে পুলিশ তাজের লাশ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর বাগেরহাট সদর থানার এসআই আব্দুল হক এজাহারভুক্ত ৩ আসামিসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। আদালত দীর্ঘ শুনানি, স্বাক্ষীদের জবানবন্দি ও মামলার প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর এই রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত দন্ডপ্রাপ্তদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।