বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মালিকানাধীন যমুনা রিসোর্ট লিমিটেডের (জেআরএল) চুক্তি বাতিলের আদেশ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আমির হোসেনের ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়। এ ছাড়া, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের নোটিস বহাল রাখার আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
মামলার বিবরনে জানা যায়—বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড়ে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর ও কালিহাতী উপজেলার প্রায় এক হাজার ২০০ একর জমির ওপর আন্তর্জাতিক মানের অবকাশ যাপন কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য ১৯৯৯ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ৩০ বছর মেয়াদি জমি ও স্থাপনার লিজ নেয় যমুনা রিসোর্ট লিমিটেড। গত ১ এপ্রিল চুক্তি বাতিলের চিঠি দেয়া হয় জেআরএল কর্তৃপক্ষকে।
এ চিঠি পাওয়ার পর চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের বিরুদ্ধে ঢাকা জেলা জজ আদালতে আরবিট্রেশন মিস কেস করে যমুনা রিসোর্ট লিমিটেড। আদালত ওই সিদ্ধান্তের ওপর স্থিতাবস্থা প্রদান করে। কিন্তু পরে গত ২ এপ্রিল বিচারিক আদালত এ আবেদনটি খারিজ করে দেয়। মিস কেসটি খারিজাদেশের সাথে সাথে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অনুরোধে টাঙ্গাইল কালেক্টরেটরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমি মো. সায়েফ জেআরএলের লিজকৃত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সিলগালা ও সিজার লিস্ট করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপেক্ষর গঠিত কমিটির কাছে বুঝিয়ে দেন।
এ দিকে, যমুনা কর্তৃপক্ষ বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করে। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক শুনানি করেন। তাকে সহায়তা করেন ব্যারিস্টার মারগুব কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুস সালাম মণ্ডল।