৩-০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজে জয়ের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টি-টোয়েন্টিতেও দাপুটে জয় পেয়েছে টাইগাররা। ১৪২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সাকিব ও সাব্বিরের ১০৫ রানের এক অনবদ্য জুটিতে ৭ উইকেটে রাজসিক জয় পায় স্বাগতিকরা। সাকিব ও সাব্বির দুই জনেই করেন অর্ধশতক। সাকিব ৪১ বলে ৯টি চারে করেন ৫৭ রান। সাব্বির ৩২ বলে ৭টি চার ও এক ছক্কায় করেন ৫১ রান। সাব্বির হন ম্যাচ সেরা।
তামিমের উড়ন্ত সূচনায় প্রথমে মনে হয়েছিল খুব হেসে খেলে জিতে যাবে টাইগাররা। কিন্তু প্রথম ওভারের তামিমের এক ছক্কা ও দুই চারের পর রান আউটের ফাঁদে পড়েন টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হওয়া সৌম্য। তামিমও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তিনি ১৪ রানে গুলের বলে সাজ ঘরে ফেরেন। মুশফিককে ফেরান ওহাব রিয়াজ। তিনি দলীয় ৩৮ রানে ৫.৪ ওভারে ব্যক্তিগত ১৯ রানে আউট হন। ৩৮ রানে যখন ৩ উইকেট তখন সাকিব আর সাব্বির হাল ধরেন। শেষ পর্যন্ত এই জুটিই জয়ের নোঙ্গরে পৌঁছে যায়।
এরআগে বাংলাদেশের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তন করে ১৪১ রান। প্রথম থেকেই টাইগারদের নিয়নন্ত্রিত বোলিংয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাট করতে পারছিল না পাকিস্তান। নবাগত মুস্তাফিজ ৪ ওভার বল করে ২ উইকেট নেন মাত্র ২০ রান দিয়ে। তিনি আউট করেন অভিজ্ঞ আফ্রিদি ও হাফিজকে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হয়। বাংলাদেশের পক্ষে এই টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অভিষেক হয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান ও সৌম্য সরকার।
ওপেনার শেহজাদ তাসকিনের বলে এক অসাধারণ ক্যাচ ধরেন মাশরাফি। আফ্রিদি ৯ বলে একটি ছক্কাসহ করেন ১২ রান। নবাগত মুস্তাফিজুরের বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। সানির বলে অসাধারণ স্ট্যাম্পিংয়ে আউট হন মুক্তার। হাফিজ করেন ১৮ বলে ২৬ রান। শেহজাদ ব্যক্তিগত ১৭ ও মুক্তার করেন ৩৭ রান। সোহেল ৩০ রানে থাকে অপরাজিত।
২০০৭ সালের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে সাতটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। সবকটি ম্যাচেই পরাজিত হয় বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে আট বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাল।