অবকাঠামোর অভাবে এশিয়ার ১৮ শতাংশ খাদ্য নষ্ট
সংগ্রহ থেকে মজুদ এবং রান্নাঘরে যাওয়া পর্যন্ত নানাভাবে প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় এক-চতুর্থাংশ খাবার নষ্ট হয়। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় খাদ্যের ১৮ শতাংশই এভাবে নষ্ট হয়। এর অর্ধেকও যদি কমানো যায় তবে ২৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষের খাদ্যের ব্যবস্থা করা যাবে।
খাদ্যের এ অপচয়ের মূল কারণ হলো অবকাঠামোগত দুর্বলতা। ধনী দেশগুলোতে ভোক্তারাই খাদ্য অপচয় করে থাকেন সবচেয়ে বেশি। আর দরিদ্র দেশগুলোতে মূলত উত্তোলনের সময়ই তিন-চতুর্থাংশ অপচয় হয়। খাদ্য অপচয় কমাতে চারটি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। এগুলো হচ্ছে সড়কপথ বিস্তৃত করা, বিদ্যুত্ সরবরাহ, রেল ও সড়কের সক্ষমতা বৃদ্ধি। ফসল অপচয়ের লোকসান এড়াতে এসব অবকাঠামোর জন্য উন্নয়নশীল বিশ্বের আগামী ১৫ বছরে ২৩৯ বিলিয়ন ডলার খরচ পড়বে। কিন্তু এতে ৩ হাজার বিলিয়ন ডলারের বেশি সাশ্রয় হবে।
২০৩০ সালেও যুক্তরাষ্ট্র বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ:ইউএসডিএ
আগামী ১৫ বছর পরও বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশ হিসেবে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে একচেটিয়া রাজত্ব থাকবে না। উদীয়মান কয়েকটি বাজার থাকবে প্রতিযোগিতায়। আর পিছিয়ে পড়বে ইউরোপের অর্থনৈতিক শক্তিশালী দেশগুলো।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারের (ইউএসডিএ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০৩০ সালে প্রায় ২৫ ট্রিলিয়ন ডলার বার্ষিক উত্পাদন নিয়ে শীর্ষ অর্থনীতির দেশ থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানের তুলনায় ২০৩০ সালে দ্বিগুণ হবে চীনের জিডিপি। তৃতীয় অবস্থানে চলে আসবে ভারত। এতে দেশটি ছাড়িয়ে যাবে ব্রাজিল, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি এবং জাপানকেও। অন্যতম শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতি ফ্রান্স ২০৩০ সালে র্যাংকিংয়ের তিন ধাপ নিচে নামবে এবং ইতালি নামবে দুই ধাপ।