সর্বনিম্ন ১৮ হাজার টাকা প্রদান, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনবৈষম্য দূর করতে ১ :৫ হারে বেতনক্রম নির্ধারণের এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী—২০১৪ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকরসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। দাবি বাস্তবায়নে আগামী ২ জুন ঢাকায় সংগঠনের জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন ডাকা হয়েছে।সম্মেলন থেকে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব দাবি তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব নোমানুজ্জামান আল আজাদ বলেন, ‘গত বছরের এপ্রিলে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা এবং অর্থমন্ত্রীর বিগত বাজেট-বক্তৃতায় সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ ছিল—নতুন পে-কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হবে ২০১৪ সালের জুলাই থেকে। ১২ লক্ষ গণকর্মচারী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে দুর্বিসহ অবস্থায় নতুন পে-স্কেল কার্যকরের আশায় অপেক্ষমাণ। কিন্তু সময় ক্ষেপণের কারণে গণকর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সংগঠনের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—কর্মচারীদের সব পদে শত ভাগ সিলেকশন গ্রেড, পুলিশের মতো রেশন-সুবিধা এবং সাজ-পোশাক ভাতা মূল বেতনের সাথে দেয়া।
সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সংগঠনের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এম এ হান্নান, সেলিম ভূইয়া, এম এ সাদেক, সৈয়দ সারোয়ার হোসেন, ছালজার রহমান, এম এ ওয়াদুদ, আম্বিয়া বেগম পলি, কে এম আফজাল, মানিক মিয়া ও হেলেনা বেগম প্রমুখ।