‘নতুন প্রজন্মের জন্য বিশ্বমানের শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে’

শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, প্রজন্মের মেধা বিশ্বমানের। এই প্রজন্মের হাত ধরেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। বর্তমান সরকার তথ্য-প্রযুক্তি খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। ৭০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ অত্যাধুনিক ‘হাইটেক পার্ক’ গড়ে তোলা হচ্ছে।
 
শনিবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় তথ্য প্রযুক্তি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন নাহিদ। 
 
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, নতুন প্রজন্ম প্রযুক্তি এবং আধুনিক জ্ঞান ব্যবহার করে দেশকে উন্নতির শীর্ষস্থানের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এ ধারায় দেশের তরুণ প্রজন্মকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি সোসাইটির আয়োজনে ‘আইসিটি ফর এনভায়রনমেন্ট’ এই শ্লোগান নিয়ে গত শুক্রবার শুরু হয় দেশের প্রথম এ প্রযুক্তি উৎসবের । 
শনিবার উৎসবের শেষদিনে প্রশিক্ষণার্থীদের পদচারণায় মুখর ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান অডিটোরিয়ামের করিডোর। 
শেষদিনে প্রজেক্ট প্রদর্শনী (মোবাইল অ্যাপস ও ওয়েব অ্যাপস), আইটি কুইজ এবং গেমিং প্রতিযোগিতা (ফিফা এবং এনএফএস) এর ফাইনাল রাউন্ড, প্রযুক্তিবিষয়ক নাটিকা এবং কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও এবারের উৎসবে  আউটসোর্সিং, থ্রিডি ও গেম ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের এ ব্যাপারে বিস্তারিত প্রশিক্ষন দেওয়া হয় বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। 
প্রথম দিনের ন্যায় শনিবারও গুগল বাসে শিক্ষার্থী ভিড় করেন। মেলা উদ্বোধনকালে ভিসি অধ্যাপক  ফারজানা ইসলাম বলেন, আজকের তরুণরাই বাংলাদেশের আগামীর পথ দেখাচ্ছে। সুন্দর আগামী তরুণদের দ্বারাই রচিত হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের (ঢাকা-১৯) সাভার আসনের সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক আবুল  হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক  আবুল খায়ের, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শরিফ উদ্দিন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এর নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম, জনতা ব্যাংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপক আবু নাসের। 
 
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির পরিচালক ফজলুল করিম পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক কায়কোবাদকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। উৎসবে প্রায় ১০টি কলেজ ও ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করে। প্রযুক্তি উৎসবে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল দৈনিক ইত্তেফাক।