বাগেরহাটে আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

 
বাগেরহাটে মোজাফফর রহমান ওরফে রাজা শেখ (৩৬) নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে রড দিয়ে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।
নিহত রাজা শেখ কৃষ্ণনগর গ্রামের ইসমাইল শেখের ছেলে।
 
হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে শেখ শহীদুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে সোমবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে রাজা শেখের ওপর সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড নিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয় লোকজন রাজাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই সোমবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
 
নিহতের ভাগ্নে মো. রাব্বি শেখ জানান, রাজা শেখ বাড়ি থেকে বের হয়ে বড় খোকার দোকানের সামনে আসলে স্থানীয় শহীদুল, আল আমিন ও মিজান রাম দা ও লোহার রড দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি আওয়ামীলীগের সক্রিয় কর্মী। তবে কি কারণে রাজা শেখের ওপর হামলা হয়েছে তা তিনি বলতে পারেননি।
 
বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মো. তোজাম্মেল হক জানান, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে ৪-৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে রাজার ওপর হামলা চালায়। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। রাজার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে শহীদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।