ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে মোট যে অর্থ বরাদ্দ ছিল তার বেশির ভাগ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পেছনে খরচ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা পেয়েছে র্যাব ও পুলিশ। এর পরপরই রয়েছে আনসার-ভিডিপি। ইসি থেকে ভোটের আগেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তবে তিন সিটির জন্য তিন ব্যাটালিয়ান সেনাসদস্য প্রস্তুত রাখার কথা জানালেও তাদেরকে কোন টাকা দেয়া হয়নি।
ইসি সচিবালয় থেকে জানান হয়েছে, তিন সিটির নির্বাচনের জন্য ইসির এবারের বরাদ্দ ছিল ৪৭ কোটি টাকা। এরমধ্যে র্যাপিড অ্যাকশন বাটালিয়ান (র্যাব) ও পুলিশকে দেয়া হয়েছে মোট ৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। আনসার-ভিডিপি পেয়েছে ৮ কোটি ১ লাখ টাকা। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) দেয়া হয়েছে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এছাড়া কোস্টগার্ডকে দেয়া হয়েছে প্রায় তিন লাখ টাকা। অন্যদিকে, তিন সিটিতে ভোট কেন্দ্রের ব্যালট পেপার ছাপানো, সিল-প্যাড, প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের সম্মানী ও প্রশিক্ষণসহ পরিচালনা বাবদ খরচ করা হয়েছে ১৩ কোটি টাকা। এর আগে কখনই নির্বাচনে গোয়েন্দা সংস্থার জন্য কোন টাকা বরাদ্দ দেয়া না হলেও এবারে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) থেকে ইসিতে আবেদন জানান হয়েছিল। তাদের ৮০০ জন সদস্যের জন্য ৫ কোটি টাকা চাওয়া হলেও ইসি তা নাকচ করে দেয়।
সেনা সদস্যদের জন্য কোন অর্থ ছাড় না করার বিষয়ে জানতে চাইলে কমিশনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এখনও তাদের কাছ থেকে চাহিদা পাওয়া যায়নি। চাহিদা পাওয়া সাপেক্ষে বিষয়টি বিবেচনা করবে ইসি।