অবিলম্বে পদত্যাগ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিতে হবে: খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, তত্তাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবির যৌক্তিকতা প্রমানিত হয়েছে তিন সিটির নির্বাচনে। এই সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবেনা। সরকারের কোন জনসমর্থন নেই। গ্রহনযোগ্যতা নেই। সিটি নির্বাচনে ভোট ডাকাতির পর এখন অবিলম্বে পদত্যাগ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিতে হবে।
পেশাজীবী পরিষদের নেতারা গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে খালেদা জিয়ার গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে গেলে তিনি একথা বলেন। পেশাজীবী পরিষদের নেতারা সিটি নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি, অনিয়ম, সন্ত্রাসও কারচুপির বিষয়ে খালেদা জিয়াকে অবহিত করেছেন। একইসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনের সকল সদস্যদের পদত্যাগ করতে দেশি-বিদেশি জনমত গড়ে তোলা জরুরী বলে মত প্রকাশ করেন।

 

তারা জানান,নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের জন্য আন্দোলন করা হবে পেশাজীবী পরিষদের পক্ষ থেকে। পেশাজীবী পরিষদের প্রতিনিধি দলে ছিলেন সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, ড্যাব মহাসচিব ও বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, ঢাকা আইনজীবি সমিতির সভাপতি এডভোকেট মাসুদ আহমদ তালুকদার,সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক ফারুকী,জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাদের গণী চৌধুরী প্রমুখ ।

 

এসময় বিএনপি নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। ২১ জন পেশাজীবী নেতা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ।
খালেদা জিয়া বলেন,দেশের জনগন এই সরকারের প্রতি অনাস্থা দিয়েছে। তাদের কোন জনসমর্থন নেই। তারপরেও জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। সরকার প্রধান মিথ্যাচার করছেন।

 

তিনি বলেন,৫ জানুয়ারীর নির্বাচনও ছিলো সাজানো। আমরা সেই নির্বাচনে অংশ নিয়ে যে ভুল করিনি তা সিটি নির্বাচনে তাদের ভুমিকায় প্রমানিত হলো। সরকার তাদের আগ্গাবহ নির্বাচন কমিশন,পুলিশ-র‌্যাব আর দলীয় ক্যাডার দিয়ে সিটি নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করেছে।