শিক্ষার্থী আদান-প্রদানসহ ছয়টি বিষয়ে জাপানের নাগাসাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তি সাক্ষর হয়েছে। পাঁচ বছর মেয়াদী এ চুক্তির অধীনে দুইটি বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক শিক্ষা, গবেষণা, শিক্ষাবৃত্তি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জনশক্তি বিনিময়সহ ছয়টি বিষয়ে পারস্পারিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গত ১৬ এপ্রিল উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কতৃপক্ষের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তির উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ শিক্ষা সংক্রান্ত ছয়টি বিষয়ে জাপানের নাগাসাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। গত ১৬ এপ্রিল জাপানের নাগাসাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট শিগেরু কাতামিনে ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম সরকার এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির বিষয়বস্তুগুলো হলো-বিশ্ববিদ্যালয় দুইটির মধ্যে ফ্যাকাল্টি সদস্য, গবেষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী বিনিময়, উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষার্থী বিনিময়, উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগীতামূলক গবেষণাকার্য সম্পাদন, লেকচার ও সিম্পোজিয়া বিষয়ক কার্যসম্পাদন, উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক তথ্য ও তত্ত্ব বিনিময় এবং উচ্চশিক্ষা বিষয়ক অন্যান্য চুক্তি সম্পাদন ও তার উন্নয়ন।
চুক্তির উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, এ চুক্তির ফলে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গবেষণা ও শিক্ষাবৃত্তিসহ উচ্চ শিক্ষার দ্বার উন্মোচন হলো। এতে করে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি বিভাগই সুবিধা পাবে না, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগগুলো এই চুক্তির অধীনে সুবিধা পাবে।’ উচ্চ শিক্ষা বিষয়ে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে বিদেশি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের এটিই প্রথম চুক্তি বলে তিনি জানান।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সভাপতির কক্ষে চুক্তি বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুস সামাদ, সহকারী অধ্যাপক তানভির সরওয়ার প্রমুখ। এছাড়া জাপানের সুকুবা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আরেকটি চুক্তির প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুস সামাদ।