ছিয়ানব্বাই ঘণ্টা পরও উদ্ধার হয়নি জাবালে নূর

ছিয়ানব্বাই ঘণ্টা পার হলেও সুন্দরবনের ভোলা নদীর মরা ভোলার চরে ডুবে যাওয়া রাসয়নিক সারবাহী কার্গো এমভি জাবালে নূরকে উদ্ধার করতে পারেনি বনবিভাগ। বনভিাগের উদ্ধারকারী যান না থাকায় কার্গোটিকে উদ্ধার করতে পারছেন না তারা। কার্গোটি উদ্ধার করতে তারা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সাহায্য চেয়েছেন। জোয়ার-ভাটার টানে সার সুন্দরবনের নদী ও খাল এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় তা ভাসতে দেখা গেছে। অপরদিকে জাহাজের মধ্যে জমাট বাঁধা সার আত্মসাত করার জন্য স্থানীয় একটি চক্র তৎপর রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
 
এদিকে ডুবে যাওয়া কার্গোটি দ্রুত উদ্ধার করা না গেলে চ্যানেলটিতে পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন চ্যানেল ব্যবহারকারীরা। তাই তারা দ্রুত ওই কার্গোটিকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। 
 
অন্যদিকে ডুবে যাওয়া কার্গোতে থাকা রাসয়নিক সার যাতে নদীর পানিতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য একটি পাম্প মেশিন ভাড়া করে আনা হয়েছে। তবে তারা কাজ শুরু করতে পারেনি। 
 
গত সোমবার বিকেলে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা নদীর মরাভোলার ডুবো চরে ৭শ মেট্রিকটন সারসহ আটকে পড়া ওই কার্গোটি উদ্ধার করতে গেলে তলাফেটে তা পানিতে নিমজ্জিত হয়। যা আজও নদীতে ভাসতে দেখা গেছে।  
 
শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ অতুল মন্ডল বলেন, ডুবে যাওয়া সারবাহী কার্গোর সার অপসারণের জন্য একটি পাম্প মেশিন ভাড়ায় আনা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকালে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও পাইপ সল্পতার কারণে কাজ শুরু করতে পারেনি। এ ধরনের কার্গো উত্তোলনের সরঞ্জামাদি আমাদের কাছে নেই। এই ডুবে যাওয়া কার্গোটি উদ্ধার করতে বিআইডব্লিউটিএ- এর সাহায্য চাওয়া হয়েছে। দ্রুত এটি অপসারণ করা না গেলে চ্যানেলটিতে পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়া আশংকা করছেন তিনি। এদিকে  জাহাজের মালিক পক্ষের কোন খোঁজ না থাকায় গোপনে সার আত্মসাত করার জন্য স্থানীয় একটি চক্র তৎপর রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।