ঢাকার বর্জ্য অপসারণে পিসিএসপিরাই নিয়ামক

 
 
 
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন বিপন কুমার সাহা বলেছেন, ‘বাসা-বাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহকারী (পিসিএসপি) ভাই-বোনরাই ঢাকা মহানগরের বর্জ্য অপসারণের ক্ষেত্রে নিয়ামক শক্তি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।’
 
রাজধানীর মহাখালী কমিউনিটি সেন্টারে শনিবার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, প্রাইমারি কালেকশন শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
 
আলোচনা সভাটির আয়োজন করে বাসা-বাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রকারীদের (প্রাইভেট কালেকশন সার্ভিস প্রোভাইডার) সংগঠন ওয়েস্ট কালেকশন সেবা সংস্থা।
 
বিপন কুমার সাহা বলেন, ‘পিসিএসপি ভাই-বোনদের দায়িত্ব পালনের কারণেই পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্টদের কাজ অনেকটাই কমে গেছে। ঢাকা মহানগরের বর্জ্য অপসারণের ৭০ শতাংশ কাজ পিসিএসপি ভাই-বোনরাই করে থাকেন। ঈদুল আযহা সময়ের চ্যলেঞ্জ মোকাবিলায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা অনুপস্থিত থাকলেও পিসিএসপি ভাই-বোনরা ঠিকই দায়িত্ব পালন করেন।’
 
বিপন কুমার বলেন, ‘পিসিএসপিরা দায়িত্ব পালন না করলে ঢাকা মহানগর ময়লায় ঢেকে যেত। ঢাকায় প্রতিদিন ২৫০০ টন বর্জ্য হয়। পিসিএসপি ভাই-বোনদের সুবিধা-অসুবিধা দেখা এবং তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া ছাড়া ঢাকাকে ওই আবর্জনা থেকে মুক্ত করা যাবে না।’
 
নাগরিক সচেতনতা ছাড়া নগর পরিচ্ছন্ন রাখা যাবে না। নগরবাসীর মধ্যে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে দায়িত্ববোধ বাড়লেই ড্রেন, স্যুয়ারেজ লাইন ও ঢাকার খাল ইত্যাদি দূষণমুক্ত হবে। বাড়বে নগরের সৌন্দর্যও।
 
পৃথিবীর অন্যান্য শহরের মতো ঢাকা মহানগরের বর্জ্যকে বায়োগ্যাস, জৈবসার ও বিদ্যুত্শক্তি উত্পাদনসহ সম্পদে পরিণত করার সুপারিশ করা হয় এ সভায়।
 
আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন—ওয়েস্ট কালেকশন সেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বাবর, সংস্থার প্রচার ও গবেষণা সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জাহাঙ্গীর আলম, গোলাম রব্বানী মামুন, আব্দুল মান্নান, ভ্যান সার্ভিসের আবুল কালাম প্রমুখ।
 

সভাপতিত্ব করেন সংস্থার সভাপতি নাহিদ আক্তার লাকী। সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সহকারী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকরা উপস্থিত ছিলেন।