উভয় দেশের মধ্যকার ১৬১টি ছিটমহল বিনিময়ের সব বাধা দূর হয়ে গেছে। এখন বাস্তবায়নের পালা। তাই এসব ছিটমহলের জনসংখ্যা ও জমির পরিমাণ নিরূপণে আজ রবিবার একযোগে কাজ শুরু করবে বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটি। এই কাজ শেষ হলে ছিটমহলগুলোর জনসংখ্যা ও প্রকৃত জমির পরিমাণ বের হয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন সমন্বয় কমিটির নেতারা।
১৯৪৭’-এ ছিটমহল সমস্যা শুরু হওয়ার পর তা সমাধানে ১৯৫৮ সালে নেহেরু-নুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরপর উভয় দেশের ছিটমহলের জমির পরিমাণ নির্ণয়ে ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম কাজ শুরু করে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরবর্তীকালে সেন্সাস হ্যান্ড বুক’-এ ছিটমহলের তালিকা ও জমির পরিমাণ উল্লেখ করা হয়। সেখানে উভয় দেশের মধ্যে ছিটমহলের সংখ্যা ও জমির পরিমাণ অনেক বেশি দেখানো হয়। ওই তালিকায় তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান ও বর্তমান বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ১৩১টি ছিটমহলে জমির পরিমাণ দেখানো হয় ২০ হাজার ৯৫৭ দশমিক ০৭ একর। অপরদিকে ভারতের অভ্যন্তরে পূর্ব পাকিস্তানের ছিটমহল দেখানো হয় ৯৫টি এবং জমির পরিমাণ দেখানো হয় ১২ হাজার ২৪৯ একর। আবার ১৯৯৬ সালের নভেম্বর মাসে বেরুবাড়ী সীমান্তে উভয় দেশের কর্মকর্তাদের নিয়ে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনের পর নতুন করে আরো একটি তালিকা তৈরি করা হয়। সেখানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল এবং এগুলোতে জমির পরিমাণ দেখানো হয় ১৭ হাজার ১৫৮ দশমিক ০৫ একর। অপরদিকে ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ও এতে জমির পরিমাণ দেখানো হয় ৭ হাজার ১১০ দশমিক ০২ একর।