‘দেশে ২০ হাজার নিবন্ধিত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে’

 
 
 
 
 
‘দেশে প্রায় ২০ হাজার নিবন্ধিত ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে’ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন,  ‘১৬ কোটি মানুষের এই দেশে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান খুবই মূল্যবান। এ সব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পিকেএসএফ কিছু মৌলিক বিষয়—যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে কাজ করছে।’
 
রবিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ২৫ বছর পূর্তির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
 
অর্থমন্ত্রী ‘দেশের মানুষ দারিদ্র্যের শিকার, তাই ক্ষুদ্রঋণের প্রয়োজন। তবে আগামী দশকে হয়তো গরিব থাকব না আমরা। তখন আরো বড় পরিসরে চিন্তা-ভাবনা করা যাবে।’
মুহিত বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় দেখা গেল—ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থা কারো একক চিন্তার ওপর চলতে পারে না। সে জন্য আশির দশকে অনেক ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসে।’
 
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষুদ্রঋণের ধারণা বহু পুরানো। এ দেশে ১৯০৪ সালে ক্ষুদ্রঋণ চালু হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় তা ছিল ব্যক্তিকেন্দ্রিক। গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর আশির দশকে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে নতুন নতুন প্রকল্প বা প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি হয়। নতুন নতুন চিন্তা-ভাবনার শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় একটি তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত হয়, ফলে প্রতিষ্ঠা পায় পিকেএসএফ। এটি নিজস্ব অর্থায়নে নিজেদের একটি প্রতিষ্ঠান। অনেকে ক্ষুদ্রঋণকে ব্যক্তি কেন্দ্রিক করতে চেয়েছিল। পিকেএসএফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সরকার সেটি বের করে আনে।’
 
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী প্রমুখ।