শিক্ষায় অর্থায়ন দ্বিগুণ করার ঘোষণা বিশ্বব্যাংকের

 
 
আগামি ৫ বছরে বিশ্বব্যাপী শিক্ষা খাতে ৫ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূর করার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ অর্থায়ন করা হবে। কোরিয়ার সিউলে মঙ্গলবার এ ঘোষণা দেয় বিশ্বব্যাংক।
 
 
বিশ্বব্যাংক বলছে, শিক্ষার নিম্ন মানের ফলে দারিদ্র্র্য দূরীকরণের প্রক্রিয়া মারাত্মক ভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে সমতা ও সক্ষমতা বাড়াতে এ অর্থব্যয় করা হবে। অর্থায়নের পরিমাণ চলমান শিক্ষাখাতে ফলাফল-ভিত্তিক প্রকল্পে অর্থায়নের চেয়ে দ্বিগুণ উল্লেখ করা হয়েছে।
 
১৬০টিও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা শিক্ষা ক্ষেত্রে সহশ্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) ২০১৫ পরবর্তী টেকসই উনন্নয়ন লক্ষ্য কাঠামো নির্ধারণে চলতি সপ্তাহে কোরিয়ায় একত্র হয়েছে। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে এখনও বিশ্বব্যাপী ১২ কোটি ১০ লাখ শিশু প্রাথমিক শিক্ষা বঞ্চিত। এর বেশিরভাগ শিশু দারিদ্র্য, লিঙ্গ বৈষম্য, দুর্গম ভৌগলিক পরিস্থিতি এবং শারিরিক অক্ষমতার কারনে শিক্ষা সুবিধা থেকে বঞ্চিচ।
 
এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বলেছেন, বেশিরভাগ শিক্ষা ব্যবস্থায় দরিদ্র্য শিশুরা ভালো ভাবে অংশ গ্রহণ করতে পারেনা। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, স্কুলে যাওয়ার পরেও ২৫ কোটি শিশু লিখতে বা পড়তে পারে না। চরম দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্য অর্জনে এটি একটি দুঃখজনক ও গুরুতর বিষয়।
 
এমডিজির ২০০০-২০১৫ মেয়াদকালে শিক্ষার হার বাড়াতে এবং স্কুলে ছেলে-মেয়ে সবার জন্য সুযোগ তৈরীতে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন করেছে। ফলাফল ভিত্তিক শিক্ষাখাতের বিভিন্ন প্রকল্পে গত পাঁচ বছরে আড়াই বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করেছে বিশ্বব্যাংক। আগামি ৫ বছরে এটি ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হবে। এটি এমডিজি পরবর্তী বিশ্বব্যাপী নতুন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে বলে উল্লেখ করেছে বিশ্বব্যাংক।