দুর্নীতির মামলায় থাইল্যান্ডে ইংলাকের বিচার শুরু

থাইল্যান্ডে ক্ষমতায় থাকাকালে দায়িত্বে অবহেলা ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিচার শুরু হয়েছে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রার। গতকাল মঙ্গলবার মামলার শুনানি চলাকালে আদালতে হাজির হন ইংলাক। খবর বিবিসি’র।

 
ইংলাকের বিরুদ্ধে বিতর্কিত চাল কেনা প্রকল্পে ভর্তুকিতে দায়িত্বে অবহেলা ও দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তবে তিনি বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। এ ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেছেন তিনি।
 

২০১৪ সালে ইংলাককে জোর করে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। দেশটির সাংবিধানিক আদালত তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে তাকে পদচ্যুত করে। এর কয়েক সপ্তাহ পরই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার নামে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে। আদালতে হাজির হওয়ার পর ইংলাক সাংবাদিকদের বলেন, তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণিত করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। এর আগে ২০০৬ সালে ইংলাকের ভাই থাকসিন সিনাওয়াত্রাকেও দুর্নীতির অভিযোগেই আরেকটি সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।  থাকসিন সমপ্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মত ব্যক্ত করেন যে, থাইল্যান্ডে শিগগিরই গণতন্ত্র ফিরে আসবে। প্রসঙ্গত, থাকসিনকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ইংলাক এসে ফের সিনাওয়াত্রা পরিবারের প্রভাব-প্রতিপত্তি উদ্ধার করেন। ২০০১ সাল থেকে শুরু করে প্রতিটি নির্বাচনেই সিনাওয়াত্রা পরিবার জয় লাভ করে আসছে। থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় গ্রাম এলাকায় গণমুখী উন্নয়ন নীতির কারণে সিনাওয়াত্রা পরিবার খুবই জনপ্রিয়। অন্যদিকে শহুরে অভিজাতদের কাছে তেমন জনপ্রিয় নন তারা।