পুঁজিবাজারে সূচকের ওঠানামার মধ্য দিয়ে পার হয়েছে বুধবার। দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক ও লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কম হলেও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক ও লেনদেন বেড়েছে। তিন কার্যদিবসে টানা দর বৃদ্ধিতে ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক ১৪৫ পয়েন্ট বাড়ায় আজ কিছুটা শেয়ার বিক্রির চাপ দেখা গেছে। মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা থেকে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করেছেন। এজন্য সূচক কিছুটা কমেছে। তবে বাজারে ক্রেতাও ছিল যথেষ্ট তাই সূচক খুব একটা কমেনি।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীরা তাদের পোর্টফোলিওতে সমন্বয় করছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুনাফা তুলে নিচ্ছেন। আর কম দামের ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগের আগ্রহ বেড়েছে। তাই বেশিরভাগ কোম্পানির দাম বাড়লেও সূচক কমে গেছে। বুধবার বাজারে দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল বস্ত্র খাত। এ খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর বেড়েছে চার শতংশেরও বেশি। এছাড়া খাতভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে শীর্ষে ছিল জ্বালানি, ওষুধ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও বস্ত্র খাত। এ তিন খাতে লেনদেন হয়েছে প্রায় সাড়ে চার শ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫১ শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) তিন পয়েন্ট কমে চার হাজার ৪৫৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্য সূচক সাত পয়েন্ট কমে এক হাজার ৬৭৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৮২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩০৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪০টির, কমেছে ১৩৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে আট পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৭৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১১৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪৮ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৩৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৬টির কমেছে ১০১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির শেয়ারের।
এদিকে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানির শেয়ার দর বাড়ার কোনো কারণ নেই। কোম্পানিগুলোর শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চাইলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইফাদ অটোস, বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মোপ্লাস্টিক, রহিমা ফুড এবং আরএকে সিরামিকস।