মুন্সীগঞ্জে ১১ সংবাদ কর্মীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

 
বিশৃঙ্খলাসহ নানা কারণে ১১ সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে প্রেস কাউন্সিলের চিঠির আলোকে পুলিশের তদন্ত শুরু হয়েছে। বিশৃঙ্খল এবং নানা অপরাধের সাথে জড়িত কথিত সংবাদ কর্মীদের ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে সৎ ও নিষ্ঠাবান প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদা সমুন্নত থাকবে বলে মনে করছে স্থানীয় সুশিল সমাজ।
 
মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান বলেছেন, সাংবাদিক আইনের ঊর্ধ্বে নয়। সাংবাদিকতার নামে কেউ অপরাধ করলে সেই দায় প্রকৃত সাংবাদিকরা নিবে না। সব পেশাতেই ভালো মন্দ থাকতে পারে। মন্দের ব্যাপারে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করলে অনেক সমস্যার সমাধান হতে পারে।  
 
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউল ইসলাম হিরু বলেন, মুন্সীগঞ্জে যে আট পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়েছে, এগুলোর নিয়মিত প্রকাশ তো দূরের কথা, কোনটিরই কার্যালয় আছে বলেও আমার জানা নেই। সরকারি হরগঙ্গা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সুখেন চন্দ্র ব্যানার্জী বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় আমরা বিশ্বাস করি। কিন্তু সেই স্বাধীনতার মর্যাদার কথাও আমাদের মনে রাখতে হবে। স্বাধীনতাকে অপব্যবহার করা একবারেই ঠিক নয়।
 
পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদন সম্পন্ন হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতেই প্রকাশ করা হবে।
 
উল্লেখ্য, বিশৃঙ্খলাসহ নানা অভিযোগে ১১ সংবাদকর্মীর ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপারকে তদন্ত পূর্ববক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত ১৭ মে পত্র দিয়েছে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল। এই পত্রে কাজী সাব্বির আহমেদ দিপু (বাংলানিউজ২৪.কম) ও মামুনুর রশীদ খোকার (সমকাল) বিরুদ্ধে মাদক সেবনের ব্যাপারেও তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। এদিকে নিয়মিত প্রকাশ না করায় আন্ডারগ্রাউন্ড আট পত্রিকার অনুমতি (ডিক্লারেশন) বুধবার বাতিল করেছে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।