আসছে বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের কিছুটা রেহাই দিতে তাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় থাকলে তাকে কর দিতে হয় না। টানা দু্ই অর্থবছর এ অবস্থা শেষে এবার তাতে পরিবর্তন আসছে। মূল্যস্ফীতিকে বিবেচনায় নিয়ে এবার করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা করা হচ্ছে। যদিও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের দাবি ছিল এ সীমা পৌনে তিন লাখ টাকা করার। ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শেয়ারবাজারে নিবন্ধিত কোম্পানির করহারও কমানো হতে পারে। অর্থমন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানিয়েছে, কিছু খাতে করছাড় থাকলেও বাড়তি করের চাপ সামলাতে আসছে বাজেটে করের আওতা বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব থাকবে। আগামী ৪ জুন বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে এসব প্রস্তাব তুলে ধরবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ের বাজেট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করে বাজেট সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। গত বুধবার গণভবনে ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীও কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন।
তবে আসছে অর্থবছরে বাড়তি করের লক্ষ্য পূরণে বাজেটে কিছু প্রস্তাব থাকবে। আগামী ৪ জুন অর্থমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করবেন। বাড়ি ও গাড়ির মালিকানা থাকলেও করের আওতার বাইরে রয়েছেন এমন ব্যক্তিদের উপর কর আরোপের কথা জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। এটি কার্যকর হলে অনেকে করের আওতায় চলে আসবেন। অন্যদিকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর অফিসগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে বাড়তি কর আদায় করতে চাইছে সরকার। এছাড়া রপ্তানিমুখী শিল্পের উেস করও বাড়তে যাচ্ছে।