বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধ কার্যক্রমকে আরো বেগবান ও গতিশীল করার লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।
সোমবার দুদক কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়।
এর মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী গবেষণা, অ্যাডভোকেসি ও যোগাযোগ কার্যক্রম পরিচালনা এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা বিশেষ করে টিআইবি’র অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও ইয়ুথ এনগেজমেন্ট এ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) এর অনুসরণে দুদক প্রতিষ্ঠিত দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ও সততা সংঘের সদস্যদের সক্ষমতা তৈরিতে তারা একযোগে কাজ করবে।
সমঝোতা অনুযায়ী প্রতি বছরের ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুনীতিবিরোধী দিবস সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে দুদক ও টিআইবি যৌথভাবে বিভিন্ন গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি কার্যক্রমে পরস্পরকে সহায়তা করবে।
এছাড়াও দুদক ও টিআইবি যৌথভাবে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টিতে স্থানীয় পর্যায়ে সততা সংঘের তরুণদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে বিভিন্ন দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও মনিটরিং করবে।
এক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এলাকায় দুদকের অনুপ্রেরণায় গঠিত দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘সততা সংঘে’র সদস্যদের বিভিন্ন বিষয়ে দুদক ও টিআইবি যৌথভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করবে।
সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে দুদকের চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান বলেন, দুর্নীতি দমন সহজ ব্যাপার নয় এবং এক্ষেত্রে জনগণের মধ্যে প্রতিরোধের চেতনা ও জাগরণ তৈরিতে টিআইবি’র সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান দুদক আইন ও প্রতিষ্ঠানটির উষালগ্নে টিআইবি’র ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনগণকে প্রতিবাদী হতে সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে তার সংস্থা দুদকের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ ও গবেষণা) ড. মো. শামসুল আরেফিন সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে দুদকের কমিশনারবৃন্দ, কমিশনের সচিব, টিআইবি’র উপ-নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের এবং পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ আগামী দুই বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি।