ডিএসইর সূচক বেড়েছে প্রায় তিন শতাংশ

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলেও লেনদেন হয়েছে অন্য দিনের মতোই চার ঘণ্টা। ফলে লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। 
 
সোমবার ডিএসইতে প্রায় ৮০ ভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। ফলে সার্বিক মূল্য সূচক বেড়েছে প্রায় তিন শতাংশ। আর লেনদেন হয়েছে সাড়ে আটশ’ কোটি টাকারও বেশি।
 
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঞ্চয়পত্রের সুদ কমানোর বিষয়টি কার্যকর হওয়ায় অনেকেই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছেন। এতে বাজারে নতুন বিনিয়োগ আসতে শুরু করেছে। ফলে লেনদেন ও সূচক বেড়েছে। এ অবস্থায় বাজারে লেনদেন ত্রুটি যেন আর না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। অন্যথায় বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যেতে পারে।
 
তথ্যে দেখা গেছে, সোমবার ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) পয়েন্ট ১৩০ বেড়ে ৪ হাজার ৬১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৮৫৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৫১২ কোটি ৬১ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩১৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৫০টির, কমেছে ৪৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের। 
 
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩০৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ১৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১০৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২৫ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৪৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৭টির কমেছে ৬১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের।
 
এদিকে চার কোম্পানির শেয়ারদর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার পেছনে কোন কারণ নেই বলে জানিয়েছে ডিএসই। দর বৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে পাঠানো নোটিশের প্রেক্ষিতে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো- কাশেম ড্রাই সেল, সামিট এ্যালায়েন্স পোর্ট, সাইফ পাওয়ার টেকনোলজি ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি।