রাজধানীতে চলন্ত মাইক্রোবাসে আদিবাসী তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় এক গুচ্ছ রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। রুলে ধর্ষিত তরুণীকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধর্ষণের শিকার তরুণীর মামলা গ্রহণ ও ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন ও তাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠাতে বিলম্বের ঘটনায় দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে এ রুলের জবাব দাখিল করতে বলা হয়েছে। এছাড়া মামলা গ্রহণে অবহেলার জন্য কোন্ পুলিশ সদস্যরা দায়ী এবং তাদের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তিন সপ্তাহের মধ্যে তা প্রতিবেদন আকারে আদালতে দাখিল করতে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি ও ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেন।
শুনানি শেষে হাইকোর্ট ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, লিঙ্গ পরিচয় নির্বিশেষে বৈষম্যহীনভাবে থানাগুলোতে সবার সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি ও ডিএমপি কমিশনারকে একটি (নির্দেশনা) সার্কুলার জারি করতে বলা হয়েছে। এছাড়া যৌন হয়রানি ও যৌন সহিংসতা রোধে বিদ্যমান আইন ও প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনার জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, আইনজীবী ও নারী অধিকারকর্মীদের নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে নামের তালিকা চেয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ৩১ মের মধ্যে এই তালিকা আদালতে দাখিল করতে রিটকারী সংগঠনগুলোকে বলা হয়েছে।