বিশ্বকাপের আগে ও পরে একের পর এক বাজে পারফরমেন্সের কারণে চরম সমালোচনার মুখে পড়েছিল ইংল্যান্ডের ক্রিকেট। অবস্থা এমনই খারাপ পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে, দলটির কোচ হতেও অনেকে সাহস দেখাচ্ছিলেন না। এ অবস্থা বোলারদের দাপটে লর্ডস টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক নাটকীয় জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। এই জয়ের ফলে কিছুটা হলেও স্বস্তির বাতাস বইছে ইংলিশ শিবিরে।
বিশ্বকাপের গত আসরের রানার্সআপ নিউজিল্যান্ডকে ১২৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের পঞ্চম ও শেষ দিনে সোমবার দ্বিতীয় ইনিংসে জয়ের জন্য নিউ জিল্যান্ডকে ৩৪৫ রানের লক্ষ্য দেয় ইংল্যান্ড। টেস্ট বাঁচাতে মাত্র আড়াই সেশনের মতো কাটিয়ে দিতে হতো নিউজিল্যান্ডকে। কিন্তু ইংলিশ বোলারদের দাপটে সে লক্ষ্যও পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন কিউইরা। সিরিজে ১-০-তে এগিয়ে গেছে অ্যালিস্টার কুকের দল।
মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে মাত্র ১২ রানের মধ্যে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মার্টিন গাপটিল ও টম ল্যাথামকে হারিয়ে বিপদে পড়ে সফরকারীরা। এরপর ৬১ রান তুলতে রস টেইলর, কেন উইলিয়ামসন ও অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে হারিয়ে এক প্রকার ম্যাচ থেকেই ছিটকে পড়ে তারা।
IMG0
তবে ষষ্ঠ উইকটে জুটিতে বিজে ওয়াটলিং ও কোরি অ্যান্ডারসন দলকে নতুন করে স্বপ্ন দেখান। দুজনে মিলে সংগ্রহ করেন ১০৭ রান। কিন্তু মার্ক উডের বলে ওয়াটলিং (৫৯) জস বাটলারকে ক্যাচ দিলে ফের বিপদে পড়ে যায় অতিথি দলটি। ৮৭ বলে ৬৭ রান করা অ্যান্ডারসনকে জো রুট এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেললে নিউ জিল্যান্ডের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা শেষ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৬৭.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ২২০ রান তোলে অতিথি দলটি। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডের সফল বোলার স্টুয়ার্ট ব্রড ও স্টোকস; দুজনেই তিনটি করে উইকেট নেন।
প্রথম ইনিংসে ৩৮৯ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। জবাবটা ভালোভাবেই দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তায় প্রথম ইনিংসে ৫২৩ রান সংগ্রহ করে তারা। এরপর ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭৮ রান করলে সফরকারীদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩৪৫ রান।