জাবিতে ছাত্রলীগের দুগ্রুপে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

 
 
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে টেন্ডার ভাগাভাগি নিয়ে  শাখা ছাত্রলীগের দু গ্রুপের মধ্য ধাওয়া পাল্টা  ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
 
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সময়ে ঝড়ে ভেঙে যাওয়া গাছের  টেন্ডার গ্রহণে দিন ধার্য ছিল।  এতে শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা উপ সম্পাদক (বহিষ্কৃত) মীর মশাররফ হোসেন হলের শিক্ষাথী আব্দুর রহিম জুয়েল সাহিত্য সম্পাদক সানোয়ার হোসেনকে দিয়ে সাভারে কাঠ ব্যবসায়ী আলালের মাধ্যমে এক লক্ষ পয়তাল্লিশ হাজার টাকায় টেন্ডার নেয়। এ টেন্ডারে বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি সমর্থিত শাখা ছাত্রলীগের উপ অর্থ সম্পাদক জুয়েল রানা টাকার ভাগ দাবি করে। কিন্তু আব্দুর রহিম  জুয়েলকে  টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করে আফম কামাল উদ্দিন হলের ছাত্রলীগ কর্মীরা।
 
এ খবর  মীর মশাররফ হোসেন হলে পৌঁছলে রড, পাইপ,রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আফম কামাল উদ্দিন হলে হামলা চালাতে যায়। পরে আফম কামাল উদ্দিন হলের ছাত্রলীগ কর্মীরাও দেশীয় অস্ত্র হাতে তাদের প্রতিহত করতে উদ্যত হয়। এসময় দু গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে। 
 
এসময় খবর সংগ্রহ করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও ইংরেজি দৈনিক দি ইনডিপেনডেন্ট এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জনি আলম, বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমেমর প্রতিবেদক শফিকুল ইসলাম এবং অনলাইন পত্রিকা প্রদিবেদতক মিজানকে লাঞ্ছিত করে।
 
দায়িত্ব পালন করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শিকদার মো.জুলকারনাইনকেও লাঞ্ছিত করে মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগ কর্মীরা।
 
এ বিষয়ে তিনি জানান, কয়েকজন জুনিয়র ছাত্রলীগ কর্মী আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকে। এসময় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদ রাসেলকে  নিয়ে কটূক্তি করায়  আফম কামাল উদ্দীন হলের  ছাত্রলীগ নেতা রুহুল আমিনকে শহীদ সালাম বরকত হলের ছাত্রলীগ কর্মীরা মারধর করে। প্রায় এক ঘণ্টা উভয় হল মুখোমুথি অবস্থান করে ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান জনি এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদ রাসেলের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার জানান, উভয় গ্রুপের সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।