যশোরে দুই বন্ধুকে হত্যা করার পর গণপিটুনির নাটক

যশোরে দুই বন্ধু ইসমাইল হোসেন ও আল আমিনকে ‘কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার পর গণপিটুনির নাটক সাজিয়েছে’ পুলিশ। পরিকল্পিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা হচ্ছে। বুধবার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে ইসমাইল হোসেন ও আল-আমিনের পরিবার এমনটাই দাবি করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিহত ইসমাইল হোসেনের মা রেহেনা বিলাল, বাবা শেখ বিলাল উদ্দিন, মামা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিপু, বড় মামা মঞ্জুরুল আলম, নিহত আল আমিনের বড় ভাই রবিউল ইসলামসহ আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা।

 
সংবাদ সম্মেলনে নিহত ইসমাইল হোসেনের মামা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিপু বলেন, পুলিশের বক্তব্যে গরমিল দেখা গেছে। বলা হয়েছে, নিহত দুই ব্যক্তি মোটর সাইকেল ছিনতাই করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছে। তাদের কাছ থেকে তিনটি চাকু ও একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।
 

কয়েকটি পত্রিকায় পুলিশের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুর রশীদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামি বায়েজীদ ও কানন নামে দুই সন্ত্রাসীও ডাকাতিকালে উপস্থিত ছিলো। তারা পালিয়ে গেলেও আল আমিন ও ইসমাইল গণধোলাইয়ের শিকার হয়। এসময় মঞ্জুর রশীদ হত্যায় ব্যবহূত অস্ত্র নিহত ব্যক্তিদের কাছে পাওয়া যায়।