ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান

১০ লাখ টাকার বেশি লেনদেন হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাতে হবে

ইত্তেফাক রিপোর্ট
 
এখন থেকে ব্যাংকের মতো ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ১০ লাখ টাকার বেশি নগদ লেনদেন হলে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটকে (এফআইইউ) জানাতে হবে। কোন লেনদেন সন্দেহজনক মনে হলে তাও অবহিত করতে হবে। সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য তাত্ক্ষণিকভাবে পাঠাতে হলেও নগদ লেনদেন প্রতিবেদন পাঠাতে হবে পরবর্তী মাসের ২১ তারিখের মধ্যে। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে।
 
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের সুবিধার্থে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য নগদ লেনদেন রিপোর্টিং পদ্ধতি চালু করা হলো। আগামী ১ জুন থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে। এতে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট কোন হিসাবে এক বা একাধিক লেনদেনের মাধ্যমে জমা বা উত্তোলনের পরিমাণ ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি হলে নগদ লেনদেন রিপোর্ট (সিটিআর) হিসাবে আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটে পাঠাতে হবে। তবে সরকারি হিসাব, সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, আধা সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের হিসাবে নগদ জমার ক্ষেত্রে রিপোর্ট দেয়া লাগবে না। যদিও এধরনের হিসাব থেকে নগদ উত্তোলন হলে তা জানাতে হবে। আর কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এধরনের কোন লেনদেন না থাকলে তাও অবহিত করতে বলা হয়েছে।
 
এতে বলা হয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নগদ লেনদেন রিপোর্ট পর্যালোচনা করে কোন সন্দেহজনক লেনদেন সংঘটিত হলে তা ‘সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট’ (এসটিআর) হিসাবে পাঠাতে হবে। সন্দেহজনক লেনদেন পরিলক্ষিত না হলে সেটিও জানাতে হবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে উভয় ক্ষেত্রে কমপক্ষে পাঁচ বছরের এ ধরনের রিপোর্ট সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে।