বিএনপি জালিয়াত দল: হাছান মাহমুদ

বিএনপিকে জালিয়াতির দল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি এখন  জনগণ ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য জালিয়াতের দল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
 
বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ্‌ নিজ মুখেই বলেছিলেন তার সাথে বেগম জিয়ার কোন ফোনালাপ হয়নি। অথচ বিএনপি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিল অমিত শাহের সাথে ফোনালাপ হয়েছে। ছয় মার্কিন কংগ্রেসম্যানের স্বাক্ষর জাল করে বিএনপি বিবৃতি দিয়েছিল।
 
এছাড়াও বিএনপির রাজনীতি হল মিথ্যাচারের রাজনীতি। তারা স্বাধীনতার ঘোষক নিয়েও মিথ্যাচার করে, ১৫ আগস্ট বেগম জিয়ার মিথ্যা জন্মদিন পালন করে। এ সকল ঘটনা আসলে বিএনপিকে দেশে-বিদেশে জালিয়াতের দল হিসেবে আবির্ভূত করেছে। তাই বিএনপি এখন জাতীয়তাবাদী নয় বরং বিশ্ব জালিয়াত দল।
 
বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধারাবাহিক সাফল্য এবং সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে’ এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহমুদ এসব মন্তব্য করেন। আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ এ আলোচনাসভার আয়োজন করে।
 
‘বিএনপির রাজনীতি ভারত বিরোধিতা নয়’ বিএনপির এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ৬৮ বছরের অমিমাংসিত সমস্যা যখন সমাধানের দ্বারপ্রান্তে, যখন এ সংক্রান্ত বিল ভারতের পার্লামেন্টে পাশ হয়েছে তখন বিএনপি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। বেগম জিয়ার উচিত হবে এতদিন এই চুক্তিকে গোলামীর চুক্তি উল্লেখ করার জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া।
 
তিনি বলেন, বিএনপি নাকি নরেন্দ্র মোদির সাথে দেখা করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। জনগণ ভুলে যায়নি শেষবার যখন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি বাংলাদেশে এসেছিল সেদিন বিএনপি হরতাল ডেকেছিল এবং তার সাথে সাক্ষাৎ করেনি। এখন নরেন্দ্র মোদির সাথে দেখা করার জন্য উন্মুখ থাকা মানে গরু মেরে জুতা দানের মতোই।
 
হাছান মাহমুদ আরো বলেন, বিএনপির রাজনীতিই হলো মৌলবাদের ও জঙ্গি তৎপরতার আশ্রয় এবং প্রশ্রয় দেয়া ও ভারতের বিরোধিতা করা।
 
সাবেক এ মন্ত্রী আরো বলেন, ইদানিং বিএনপির নেতারা পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে সংলাপের জন্য সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছে। বিএনপিকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই জঙ্গিদের সাথে, পুড়িয়ে মানুষ হত্যাকারীদের সাথে কোন সংলাপ হবে না। আপনাদের বলবো আপনারা জালিয়াতি ও মানুষ হত্যার রাজনীতি বন্ধ করুন। কৃতকর্মের জন্য মানুষের কাছে ক্ষমা চান। শেখ হসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের মেয়াদান্তে নির্বাচন কমিশনের অধীনে ২০১৯ সালে যে নির্বাচন হবে তার জন্য প্রস্তুতি নিন।