পাকিস্তান-জিম্বাবুয়ে মধ্যকার ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ চলাকালীন গত শুক্রবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলার পরও সূচী অনুযায়ী স্বাগতিকদের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ওয়ানডেটিও খেলবে জিম্বাবুয়ে। হামলায় দু'জন নিহত হয়।
তবে শহরে কেনাকাটার পরিকল্পনা বাতিল করে দিয়েছে তারা। হামলার পর অতিথি দলটিকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে।
এই আত্মঘাতী হামলায় পুলিশের একজন সাব-ইন্সপেক্টরসহ দু’জনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও আহত হয়েছেন বেশ ক’জন সাধারণ মানুষ। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এই আত্মঘাতী হামলার কথা স্বীকার করেনি। বলা হয়, বোমা নয় বরং বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
এ ব্যাপারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এক মুখপাত্র বলেন, ‘স্টেডিয়ামে মূল সীমানার বাইরে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে এবং এতে কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ীই সফর এগিয়ে যাবে। সে অনুযায়ী জিম্বাবুয়ে দলও তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে, যদিও আজ (শনিবার) তারা কিছুই করেননি। রবিবার তারা তৃতীয় ম্যাচ খেলবে এবং এরপর সোমবার ভোরে দেশের উদ্দেশ্যে উড়াল দেবে।’
আত্মঘাতী হামলার স্থলটি ছিল তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা বেষ্টনীর শেষেরটির কাছে ফিরোজপুর রোডের নিশতার পার্ক কমপ্লেক্সের পাশে। ঘটনা স্থলটি গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের ৮০০ মিটার বাইরে এর পাশেই পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ড কোচিং সেন্টার রোড। এই বিস্ফোরণ মুল স্টেডিয়াম থেকে শোনা যায়; এমনকি স্টেডিয়ামের আবদ্ধ প্রেস বক্সে থেকেও এর শব্দ শোনা যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আসা সাধারণ মানুষদের জন্য হামলাকারী ফিরোজপুর রোডের প্রথম চেকপোস্টের কাছে দাঁড়িয়েছিলো। তবে এই হামলায় ম্যাচে কোনো প্রভাব পড়েনি। ঘটনার ৩০ মিনিটের মধ্যে স্টেডিয়ামের আশেপাশে দুই কিলোমিটার এলাকা পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয় এবং সাধারণ পরিবহনের জন্যও রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়া হয়।—ইএসপিএনক্রিকইনফো