ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছেন, গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ না পেলে এবং জনগণের সরকার না হলে বাজেট গণমুখী হয় না। খবর বাসসের।
শনিবার সংসদ ভবনের আইপিডি কনফারেন্স রুমে ডেভলোপমেন্ট মিডিয়া লি. এর উদ্যোগে ‘গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন’ কর্তৃক আয়োজিত ‘হেয়ারিং দ্য ল মেকারস’ শীর্ষক বাজেট আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক চর্চা সংসদের শক্তিশালী কমিটি ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিফলন ঘটছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপলাভ করেছে। তাই এই বাজেট জনমুখী বাজেট হবে।
তিনি বলেন, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাহী বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সংসদে এবং সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার যতবার ক্ষমতায় আসবে, ততবারই বাজেট গণমুখী হবে।
সংসদ সদস্য আবদুস শহীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্ত্যব্য রাখেন, নাজমুল হক প্রধান এমপি, মো.মনজুরুল ইসলাম লিটন এমপি, কাজী রোজী এমপি, উম্মে রাজিয়া কাজল এমপি, ফজিলাতুন্নেছা বাপ্পী এমপি, উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি, লুৎফা তাহের এমপি, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, জাতীয় সংসদ জার্ণালিস্ট এ্যাসোসিয়েসনের সম্পাদক কামরান রেজা চৌধুরী ও নেক্সট নিউজ বিডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম মিঠু।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদে বাজেট অধিবেশনে বাজেটের উপর আলোচনা করার আগে সংসদ সদস্যদের ভালো করে নিজেকে তৈরি করা উচিত। অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে বক্তব্য পরিহার করে জনস্বার্থে বাজেটের উপর গঠনমূলক ও দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদানের জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান ।
সাবেক চীফ হুইপ আব্দুস শহীদ এমপি সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বৈষম্য কমিয়ে আনতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে কার্যপ্রণালীবিধির কিছু সংস্কার, রাজস্ব প্রাপ্তি ও ঘাটতি, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ ও কৌশল, সম্পদের সুষম বন্টণ, আয়করসীমা আরো বৃদ্ধি করা, ১০ হাজার টাকার উপরে বাড়িভাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা, কর ফাঁকি ও এড়িয়ে যাবার কৌশল এবং অন্যান্য অবৈধ অর্থ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে বিদ্যমান আইন সংস্কার এবং বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আসন্ন বাজেট অধিবেশনে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।