সাম্প্রতিক সময়ের মানবপাচারের ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রবিবার দুপুরে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ ও গবেষণা) ড. মো. শামসুল আরেফিন এই কথা বলেন।
শামসুল আরেফিন বলেন, মানবপাচারকারীদের অবৈধ সম্পদের বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দুদকের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। সেখানে জানানো হয়, এই চারমাসে দুদকে অভিযোগ এসেছে দুই হাজার ৭৯৮টি। এসব অভিযোগ থেকে ২৩২টি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দুদক ১২৬টি মামলার অনুমোদন দিয়েছে। আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে ২১৬টি মামলার।
এ সময় দুদকের পরিচালক নূর আহমদ ও বেলাল হোসেন এবং উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন।
মানবপাচারকারীদের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দুদকের মহাপরিচালক বলেন, মানবপাচারকারীদের অবৈধ সম্পদের বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় দুদকের পরিচালক নূর আহমেদ বলেন, গণমাধ্যম থেকে আমরা মানবপাচারকারীদের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশনের আইনী ব্যবস্থা নেওয়া সুযোগ রয়েছে।
প্রসঙ্গত, অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচার দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধ। মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে দুদকের তফসিলভুক্ত এ দুই অপরাধের অভিযোগই রয়েছে।
বর্তমানে বড় দুর্নীতির অনুসন্ধান ও তদন্তে দুদকের ধীরগতির বিষয়ে জানতে চাইলে সংস্থাটির মহাপরিচালক ড. শামসুল আরেফিন জানান, দুদক চাইলে যেকোনও বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে না। যেটা দুদকের তফসিলভুক্ত সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে। প্রমাণের বাইরে দুদকের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই।