খেলোয়াড়দের মানসিক জোর বাড়াতে হবে: লুডভিক ডি ক্রুইফ

কোন রাখঢাক করেননি ক্রুইফ। ডাচ এই কোচ বাংলাদেশ সম্পর্কে ভালো জানেন। জানেন তার খেলোয়াড়রা কখন কি করতে পারে। আবার কখন ভুল করতে পারে। যতটা সম্ভব তাদের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করেন। কিন্তু খেলোয়াড়রা মাঠে নেমে অনেক কিছুই ভুল করে ফেলেন। যে কারণে অনেক সময় জেতা ম্যাচটা হাতছাড়া হয়ে যায়। ছোটখাটো ভুল করা যাবে না আজকের ম্যাচে।

 

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের নির্দেশনা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে হবে। বাস্তবতা মেনে নিয়ে ক্রুইফ বললেন, আফগানিস্তানের ঐ দলটার ৩-৪ জন হয়তো এখানেও এসেছে, অন্যদের বেশিরভাগ জার্মানি, হল্যান্ডসহ ইউরোপে খেলে অভ্যস্থ। জার্মান কোচ, তারা অর্থ খরচ করছে। এই ম্যাচটা তাই ভিন্ন হবে। লাওসকে ওরা ২-০ তে হারিয়েছে। এই ম্যাচে আমরা আমাদের উন্নতিটা দেখতে চাই, বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য একাদশটা ঠিক করাও অন্যতম লক্ষ্য। জয় পেলে তো অবশ্যই সেটি হবে দারুণ ব্যাপার। গত সেপ্টেম্বরে কোরিয়ার ইনচন এশিয়ান গেমস ফুটবলে বাংলাদেশ (১-০) আফগানিস্তানকে হারিয়ে ছিল।

 

ক্রুইফ বললেন,এশিয়ান গেমসে পুরো বিষয়টাই ভিন্ন ছিল। ডিফেন্সিভ ট্যাকটিকসে আমাদের ঐ দলটা বেশ ভাল করছিল। কাউন্টার অ্যাটাকে খুব ভাল গোল করেছিল। তবে পজেশনে আফগানিস্তান ডমিনেট করেছে ৭৫-২৫।’ ক্রইফ বুঝছেন সেই ম্যাচ আর আজকের ম্যাচের মধ্যে বিরাট পার্থক্য থাকছে। কারণ আজকের ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ইউরোপীয়ান ঘরানার ফুটবল দেখা যেতে পারে। যেখানে বাংলাদেশের মামুনুল, সোহেল রানা, জুয়েল রানা, রায়হানরা অভ্যস্ত নয়।

 

সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে ম্যাচের ভুলত্রুটিগুলো টেনে ক্রুইফ যেটা বললেন তা হচ্ছে, সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে ম্যাচে দেখা গেছে সেটপিসে সমস্যা রয়ে গেছে। এসময় গোলকিপার খুব ভাল প্রতিক্রিয়া দেখিনি, যারা তার সামনে ছিল, তাদের বিষয়েও একই কথা বলতে হবে। খুব ভাল প্রতিক্রিয়া ওরা দেখাতে পারেনি। আমি মনে করি খেলোয়াড়দের মানসিক জোর বাড়াতে হবে।’ শুধু হতাশা নয়। ভালো অনেক কিছুই ক্রুইফের চোখে পড়ছে। ইতিবাচক দিকও দেখছেন এই কোচ। বলছিলেন, ইতিবাচক দিক হলো, আমরা ভাল ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছি, হাই টেম্পোতে খেলার চেষ্টা করেছি।’