মীর্জাগঞ্জের সুবিদখালী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের এইচএসসি পরীক্ষার্থী হাফিজা আক্তারকে গত মঙ্গলবার বিকালে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার সময় কলেজ সংলগ্ন রাস্তায় ফেলে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করেছে তার স্বামী, ননদ ও শ্বশুর। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে হাফিজার সহপাঠী পরীক্ষার্থী মো. সাইদুল ইসলামও গুরুতর আহত হন। আহত হাফিজা আক্তারকে মীর্জাগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে এবং সাইদুল ইসলামকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মির্জাগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। পুলিশ হাফিজার স্বামী আবুল কালাম ও ননদ রাজিয়া বেগমকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
মীর্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে হাফিজার পিতা হোসেন খলিফা বাদী হয়ে মীর্জাগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। প্রধান আসামি আবুল কালাম ও হাফিজার ননদ রাজিয়াকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।