অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের শর্ত শিথিল

 
 
অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সুবিধা বহাল রাখার পাশাপাশি জমি ও ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ফ্ল্যাট বা আবাসিক ভবন কেনার মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান করহারে ৪০ শতাংশের বেশি ছাড় দেয়া হচ্ছে। অর্থ আইনে বিষয়টি সংযোজন করা হয়েছে।
 
বর্তমানে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হারে কর দেয়ার পর আরো ১০ শতাংশ জরিমানা দিতে হয়। এছাড়া এলাকাভেদে আবাসন খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পরিমানে অর্থ কর দিয়েও এ অর্থ বৈধ করা যায়। এটি এলাকাভেদে প্রতি বর্গমিটারে ৭শ’ টাকা থেকে শুরু করে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত।
 
পৌরসভা এলাকায় ২শ’  বর্গমিটারের উপরে ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রতি বর্গমিটারে বিদ্যমান দেড় হাজার টাকার স্থলে ৮শ’ টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এছাড়া ২শ’ বর্গমিটারের নিচে ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকার স্থলে ৬ শ’ টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এছাড়া সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পর্যায়ে ২শ’ বর্গমিটারের উপরে ১ হাজার টাকার স্থলে ৬শ’ টাকা, ২শ’ বর্গমিটারের নিচে ৭শ’ টাকার স্থলে ৪শ’ টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
 
রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে গত অর্থবছরে প্রায় পৌনে তিন হাজার ব্যক্তি সরকার প্রদত্ত সুবিধা নিয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ অর্থনীতির মূল ধারায় এনেছেন। এর মাধ্যমে সরকার কর পেয়েছে ৪৪ কোটি টাকা।