বাড়তি কর প্রত্যাহারের দাবি প্লাস্টিক রপ্তানিকারকদের

রপ্তানি পণ্যের ওপর আগামী অর্থবছর থেকে উৎসে কর বাড়িয়ে ১ শতাংশ করার বিরোধিতা করেছে প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিপিজিএমইএ। সেই সঙ্গে আমদানিকৃত পণ্যের সম্পূরক শুল্ক কমানোরও বিরোধিতা করে সংগঠনটি। 
 
সোমবার পল্টনে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিপিজিএমইএ’র সভাপতি জসিম উদ্দিন প্লাস্টিক রপ্তানিখাতের নানামুখী সংকট তুলে ধরেন। 
 
তিনি বলেন, বাড়তি করের ফলে রপ্তানিকারকরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বেন। এ সময় তিনি প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানির কর পূর্বের অবস্থানে আনা অথবা কেবলমাত্র মুনাফার ওপর করারোপের দাবি জানান।
 
বর্তমানে গার্মেন্টস রপ্তানিকারকরা রপ্তানির বিপরীতে দশমিক ৩০ শতাংশ এবং প্লাস্টিক পণ্যসহ অন্যান্য রপ্তানিকারকরা দশমিক ৬০ শতাংশ হারে উৎসে কর দেন। প্রস্তাবিত বাজেটে তা সবার জন্য ১ শতাংশ করার প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বাজেট নিয়ে সংগঠনের অবস্থান জানাতে এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 
 
জসিম উদ্দিন বলেন, আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্য এখন জিএসপি সুবিধা পায় না। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুদ্রা ইউরোর দরপতনের পর সেখানকার মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে উৎসে করারোপ প্লাস্টিক শিল্পের জন্য টেকসই হবে না। ২০২১ সালের মধ্যে তাদের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৭০ বিলিয়ন ডলার অর্জন করাও কঠিন হবে বলে জানান তিনি। 
 
আমদানি পণ্যের ওপর সম্পূরক শুল্ক কমানোর ব্যাপারে জসিম উদ্দিন বলেন, এতে স্থানীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে। স্থানীয় শিল্প বিকাশের স্বার্থে সম্পূরক শুল্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে নির্ধারণ করা উচিত ছিল। প্রস্তাবিত বাজেটে  তা ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৫ শতাংশ করা হয়েছে।
 
এ সময় সংগঠনের ঊর্ধ্বতন নেতারা উপস্থিত ছিলেন।