নারায়ণগঞ্জে তিন সন্তানের জননীর রহস্যজনক মৃত্যু

 
নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ ভূইয়ারবাগে আখি আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। আখির পরিবারের দাবি, তার শরীরে আগুন ধরিয়ে হত্যা করেছে শ্বশুর বাড়ির লোকজন। অন্যদিকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের দাবি, এটা আত্মহত্যা।
 
বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিত্সাধীন অবস্থায় আখির মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় আখির শ্বাশুরি ও তিন জা কে আটক করেছে।
 
নিহত আখি আক্তার ভূইয়াবাগ এলাকার মৃত আবদুল করিমের ছেলে কাইয়ুমের স্ত্রী। ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিনটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
 
আখির ছোট ভাই রবিন কাজী জানান, কাইউম প্রায়ই তার বোনকে মারধর করতেন। মঙ্গলবারও তার বোনকে মারধর করে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে আখিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু ঘটে। এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
 
ফতুল্লার মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এস আই) জিন্নাহ জানান, ঘটনার পর থেকে বাড়ির পুরুষ মানুষেরা পলাতক রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড তা প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়নি। তবে আটককৃতরা জানিয়েছে, আখি নিজেই গায়ে আগুন দিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে।