মাগুরায় সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়েছে

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সরইনগর গ্রামে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়েছে। গ্রামের ঘরে ঘরে এখন বিদ্যুতের আলো জ্বলছে। এলাকায় বসানো হয়েছে সৌর বিদ্যুতের একটি মিনি গ্রিড। এতে সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুত্ পাচ্ছে গ্রামবাসী।

 
গ্রামের মসজিদের ছাদে বসানো হয়েছে ৫০টি সোলার প্যানেলের মিনি গ্রিড। সেখান থেকে তার টেনে গ্রামের বাড়ি বাড়ি বিদ্যুত্ সঞ্চলন লাইন বসানো হয়েছে। শতাধিক বাড়িতে বিদ্যুত্ সংযোগ দেয়া হয়েছে।
 
এদিকে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের ধর্মীয় উপসনালয়গুলোতে সৌর বিদ্যুত্ সরবরাহ করা হয়েছে।
 
সরইনগরের স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সৃজনী নামের একটি এনজিওর সহায়তায় মিনি গ্রিড স্থাপনে ব্যয় হয়েছে ৩০ লাখ টাকা। ফ্রান্সের স্লাইডার ইলেকট্রিক ফাউন্ডেশন যন্ত্রপাতি ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছে। ৫০টি সোলার প্যানেল থেকে ১০ কিলোওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন হচ্ছে। মোট ব্যয়ের ৫০ ভাগ অনুদান হিসাবে দেয়া হয়েছে। সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত চারটি প্যাকেজের মধ্যে প্রথমটিতে ২টি বাতি, একটি ফ্যান ও মোবাইলে চার্জ দেয়া যাবে। মাসিক ব্যয় ১৭৫ টাকা। প্যাকেজ-২, ৪টি বাতি, ২টি ফ্যান ও মোবাইল চার্জ বাবদ ২শ ৮৩ টাকা ব্যয় হবে। প্যাকেজ-৩-এ ৪টি বাতি, ২টি ফ্যান, ১টি টিভি ও মোবাইলে চার্জ বাবদ ৩শ ৮২ টাকা ব্যয় এবং প্যাকেজ-৪-এ ৫টি বাতি, ৩টি ফ্যান ও একটি টিভি এবং মোবাইল চার্জ বাবদ মাসিক ৪শ ৭৯ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছর ওই মিনি গ্রিডের কার্যক্রম সৃজনী বাংলাদেশের অধীনে চলবে। তারপর এ পেটেন্টের মালিক হবে গ্রামবাসী।
 
সৌর বিদ্যুতের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে লোডশেডিং হয় না। সামান্য কারণে লাইনে ত্রুটিও হয় না। এমনকি কয়েক দিন টানা আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলেও বিদ্যুত্ সরবরাহে সমস্যা হয় না।
 

গত সোমবার মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আব্দুল ওয়াহহাব এ মিনি গ্রিডটি উদ্বোধন করেন।