আগামী ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছে ইনস্টিটিউট অব চাটার্ড একাউন্টস, বাংলাদেশ (আইসিএবি)। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাজেটোত্তর এক সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই দাবি জানান আইসিএবি সভাপতি মসিহ মালিক চৌধুরী।
এ সময় অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাবেক সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও আব্বাস উদ্দিন খান, বর্তমান সহসভাপতি কামরুল আবেদিন ও এএফ নেছারউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আইসিএবি সভাপতি মসিহ মালিক বলেন, ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতাদের ন্যূনতম করহার ৪ হাজার টাকার পরিবর্তে চলতি বছরের ন্যায় ৩ হাজার টাকা রাখা প্রয়োজন। বাজেটে ন্যূনতম করহার ৪ হাজার টাকার প্রস্তাব করায়, ভাল করদাতাদের ওপর এক ধরনের খড়গহস্ত করা হয়েছে। এটি পুনঃবিবেচনা করা যেতে পারে। তিনি বলেন, বিনিয়োগ উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারলে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব। তবে মধ্যম আয়ের অর্থনীতিতে পৌঁছাতে হলে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮ শতাংশ হতে হবে। এজন্য তিনি সরকারের অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি বেসরকারি খাতের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ আরো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তবে শুধু সরকারি বিনিয়োগ বাড়ালেই হবে না জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি। এছাড়া তিনি ২০১৪-১৫ এবং ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য ফাইন্যান্সিয়াল বিল তৈরি এবং এনবিআরের লোকবল বৃদ্ধি করা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। গবেষণার জন্য এনবিআরে পৃথক গবেষণা সেল গঠনের পরামর্শ দিয়ে মসিহ মালিক বলেন, প্রত্যেক কর সার্কেলকে এই নেটওয়ার্কের আওতায় এনে সার্বজনীন কর নির্ধারণী পদ্ধতি চালু করতে পারলে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব।
সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, সরকার ঘাটতি বাজেট মেটাতে আগামী অর্থবছরের জন্য ১৩ হাজার কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ নেয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তাতে বেসরকারি খাতে ঋণের ওপর তেমন কোন প্রভাব পড়বে না। কারণ বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ তারল্য রয়েছে।