মিয়ানমারে উদ্ধার হওয়া ২৮৪ অভিবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় দফায় গতকাল শুক্রবার ৩৭ বাংলাদেশি অভিবাসীকে ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী ঢেকিবনিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন এ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ বিজিবির পক্ষে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন কক্সবাজার ১৭ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর ইমরান উল্লাহ সরকার। মিয়ানমারের পক্ষে নেতৃত্ব দেন মিয়ানমার ইমিগ্রেশন এন্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টের সহকারী পরিচালক মাং তাউ। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও ইমিগ্রেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কক্সবাজার ১৭ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম ও মিয়ানমারের কমান্ডিং অফিসার পুলিশ লে. কর্নেল ক্যাই তুই জা পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
গতকালের বৈঠকে উভয় দলের প্রতিনিধিরা শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সামপ্রতিক পরিস্থিতিতে সাগরপথে মানবপাচারের শিকার হয়ে যে সকল বাংলাদেশি নাগরিক মিয়ানমারে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তাদের মধ্যে ২য় পর্বে প্রত্যাবাসনের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক যাচাইকৃত ৩৭ জনকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সেতু এলাকায় ফেরত দেওয়া হয়। বিজিবির কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এম.এম. আনিসুর রহমান পিএসসির উপস্থিতিতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের কাছে আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য বিজিবি এদের হস্তান্তর করেন।